Friday 24 July 2026,

গাজায় ইসরায়েলের জাতিগত নিধন অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত

প্রকাশিত : 09:16 AM, 15 September 2025 Monday 85 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

যুক্তরাষ্ট্রের দুই ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন এবং জেফরি মার্কলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে সত্য অনুসন্ধান মিশন শেষে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেছেন, ‘গাজা থেকে স্থানীয় লোকজনকে সরে যেতে বাধ্য করতে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে নির্মূল ও ধ্বংস করার ধারাবাহিক পরিকল্পনা নিয়েছে। তারা দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই কুকর্মে জড়িত এবং বিশ্বকে এটি থামাতে হবে।’

মেরিল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন এবং ওরেগনের জেফরি মার্কলে উভয়ই সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সদস্য। তারা বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদনে তাদের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য প্রকাশ করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল ভ্রমণ করে আসার পর এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে সিনেটররা লিখেছেন, বোমা এবং বুলেটের চেয়েও ধ্বংসযজ্ঞ বেশি হচ্ছে। তারা মানবিক ত্রাণ সাহায্য বন্ধের ধারাবাহিক অভিযানও দেখেছেন, যা তারা “খাদ্যকে যুদ্ধের হাতিয়ার” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভ্যান হলেন বৃহস্পতিবারের প্রেস কনফারেন্সে বলেছেন, “নেতানিয়াহু সরকার ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাসকে নিশানা করার বাইরেও গাজার সব মানুষের ওপর ঢালাওভাবে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।”

দুই সিনেটর সত্য অনুসন্ধান মিশনে মিশর, ইসরায়েলসহ অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং জর্ডানও ভ্রমণ করেছেন। তারা বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের কার্যকলাপ কেবল হামাসের ক্ষতি করাই নয়, বরং স্থানীয় লোকজনকে জাতিগতভাবে নির্মূল করার একটি ইচ্ছাকৃত কৌশল।

তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, “নেতানিয়াহু সরকার ইজ ইমপ্লিমেন্টিং এ প্ল্যান টু এথনিক্যালি ক্লিনজিং অব প্যালেস্টিনিয়াস।” এতে বলা হয়েছে, আমেরিকাও এতে জড়িত।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT