Wednesday 26 August 2026,

৬৭ বছর বয়সে বিল গেটসের দুয়ারে নতুন প্রেম!

প্রকাশিত : 10:12 PM, 9 February 2023 Thursday 205 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটসের জীবনে আবারও প্রেম এসেছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। পলা হার্ড নামের নারীর প্রেমে মজেছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বিল গেটস ও পলা হার্ডের ঘনিষ্টজনরা জানিয়েছেন, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ডেট করছেন এই যুগল।

গত এক বছরে বহু বার পলা হার্ডের ঝলক দেখা গিয়েছে ধনকুবের বিল গেটসের আশপাশে। ক্যামেরাবন্দি হয়েছে সেই সব মুহূর্ত। তবে পরিচয় জানা যায়নি।

সম্প্রতি রহস্যের পর্দা সরিয়ে আবছায়া থেকে প্রকট হয়েছেন ‘রহস্যময়ী’ বিল-সঙ্গিনী। দুনিয়া জুড়ে ঢিঢি পড়ে গিয়েছে তাকে ঘিরে। জানা গিয়েছে, ৬৭-র বিলের ‘নতুন প্রেম’ এর নাম পলা হার্ড।

জানুয়ারিতেই পাশাপাশি দেখা গিয়েছিল দুজনকে অস্ট্রেলিয়ায়। মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দেখতে গিয়েছিলেন। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতার ঠিক পাশেই ছিল পলার আসন।

ম্যাচ শেষের পর দুজনে একসঙ্গে হাঁটতেও বেরিয়েছিলেন মেলবোর্ন শহরে। তাদের পাশাপাশি হাঁটার ভঙ্গি বলে দিচ্ছিল গাঢ় বন্ধুত্বের কথা। তা নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল বিস্তর। কিন্তু পলাকে তখনও চিনতে পারেনি সংবাদমাধ্যম। অবশেষে বিল-সঙ্গিনীর পরিচয় জানা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা ‘ডেইলি মেল’ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পলাকে নিয়ে। বিল এবং পলার এক বন্ধুর কথা উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছেন, দুজনকে ইদানীং আলাদা করাই যাচ্ছে না।

বিল-পলার ওই বন্ধুই বলেছে, সংবাদমাধ্যম পলাকে রহস্যময়ী বলছে ঠিকই, তবে একটা বিষয়ে এখন আর কোনও রহস্য নেই। ওরা দু’জনেই প্রেমের সম্পর্কে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছেন।

পলা বয়সে বিলের থেকে ৭ বছরের ছোট। তিনি এখন ৬০। এককালে নামী সংস্থার প্রযুক্তি অধিকর্তা পলা এখন একজন ইভেন্ট প্ল্যানার। বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অবসরে সমাজকল্যাণের কাজও করেন। অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন বহু সংস্থাকে।

বিল তার প্রাক্তন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টেনেছেন ২০২১ সালে। পলাও তার স্বামীকে হারান ২০২১-এই।

ক্যান্সারে আক্রান্ত পলার স্বামী মার্ক হার্ড ছিলেন ওরাকলের প্রাক্তন সিইও। ২০২১ সালে মার্ক মারা যান। যদিও মার্কের মৃত্যুর আগে থেকেই একে অপরকে চিনতেন বিল আর পলা। নিউ ইয়র্কের উঁচু মহলের একই গণ্ডিতে ছিল তাদের যাতায়াত। ফলে বহু বার বিল-মেলিন্ডা মুখোমুখি হয়েছেন মার্ক-পলার।

ক্যান্সারে আক্রান্ত পলার স্বামী মার্ক হার্ড ছিলেন ওরাকলের প্রাক্তন সিইও। ২০২১ সালে মার্ক মারা যান। যদিও মার্কের মৃত্যুর আগে থেকেই একে অপরকে চিনতেন বিল আর পলা। নিউ ইয়র্কের উঁচু মহলের একই গণ্ডিতে ছিল তাদের যাতায়াত। ফলে বহু বার বিল-মেলিন্ডা মুখোমুখি হয়েছেন মার্ক-পলার।

ওরাকলের আগে কম্পিউটার এবং প্রিন্টার প্রস্তুতকারী সংস্থা হিউলেট-প্যাকার্ডের সিইও ছিলেন মার্ক। তবে একটি যৌন হেনস্থার অভিযোগের জেরে ২০১০ সালে তাকে ওই সংস্থা ছাড়তে হয়। তবে তার পরও একসঙ্গেই ছিলেন মার্ক এবং পলা।

অন্য দিকে, বিলের বিরুদ্ধেও যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন তার সংস্থার এক ইঞ্জিনিয়ার। ২০২১ সালে মেলিন্ডার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের সময়েও বিল বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। এমনকি, একটি সূত্রে এমনও জানা যায় যে, বিল নিজের সংস্থার এক আর এক কর্মীকে তার সঙ্গে একটা দিন কাটানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT