Thursday 27 August 2026,

৫৪ দিনে মালয়েশিয়ায় ১৪ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

প্রকাশিত : 09:27 AM, 29 February 2024 Thursday 137 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

মাত্র ৫৪ দিনে ১৪ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক রুসলিন জুসোহ।

১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৫২৮টি অভিযান পরিচালনা মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৬১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। আটক অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন তা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেছেন, একই সময়ে অভিবাসন আইনের অধীনে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে ১৩৯ নিয়োগকর্তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামা টিভিতে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, এ অভিযান কেবল অবৈধ অভিবাসীদের লক্ষ্য করছে না, নিয়োগকর্তাদেরও। কিছু নিয়োগকর্তা আছেন যারা বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া এড়াতে চান, তারা লেভি দিতে চান না। এটি ভুল কারণ দেশে আইন রয়েছে যা অবশ্যই অনুসরণ করা উচিত।

১ মার্চ থেকে অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি (পিআরএম) শুরু হলেও অভিবাসন বিভাগ অনথিভুক্ত বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন রুসলিন জুসোহ।

প্রত্যাবাসন কর্মসূচি যা ১ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীরা ইমিগ্রেশন বিভাগের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করার পরে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এর মধ্যে বৈধ ভ্রমণ নথি এবং একটি ফিরতি টিকিট অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এ বছর অভিবাসন বিভাগ মালয়েশিয়াজুড়ে ২২০টি হটস্পট-এ অভিযান পরিচালনা করবে। ২২০টি হটস্পট-এ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত অপারেশন পরিচালনা করার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিদেশিদের আগমন রোধে অভিবাসন বিভাগ যে ব্যবস্থা নিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিদেশি শ্রম, পাইকারি বাজার এবং আন্তর্জাতিক ছাত্রদের গ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়োগকারী ব্যবসার পরিদর্শন।
এছাড়া ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শনও কঠোর করেছে। মালয়েশিয়ায় প্রবেশকারী বিদেশি দর্শকদেরও তাদের মূল দেশে ফিরতি টিকিট উপস্থাপন করতে হবে।

১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় সক্রিয় বিদেশি কর্মীদের তথ্য হিসাবে রুসলিন বলেছেন, মালয়েশিয়ায় মোট ২১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯ বিদেশি কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৫ বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, তারপরে ইন্দোনেশিয়া ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮৩, নেপাল ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৮, মিয়ানমার ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩২৪ এবং ভারত থেকে এসেছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৭০৬।

এ দেশগুলো ছাড়াও কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানসহ অন্যান্য দেশ থেকে বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেয় মালয়েশিয়া।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT