Wednesday 26 August 2026,

সৌদি আরবের ২০০ মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল বুরকিনা ফাসো

প্রকাশিত : 06:01 AM, 23 March 2025 Sunday 103 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ২০০টি মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে। তার পরিবর্তে, তিনি সৌদি আরবকে অনুরোধ করেছেন যাতে তারা এমন প্রকল্পে বিনিয়োগ করে যা তার দেশের জনগণের জন্য আরও সহায়ক হবে, যেমন স্কুল, হাসপাতাল এবং এমন ব্যবসা যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এক্সট্রা আফ্রিকা ডট কম।

প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে উল্লেখ করেছেন, বুরকিনা ফাসো ইতোমধ্যেই যথেষ্ট মসজিদ রয়েছে এবং অনেক মসজিদ পুরোপুরি ব্যবহার করা হয় না। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, দেশটির এমন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রয়োজন যা দেশটিকে শক্তিশালী করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে অগ্রগতি সাধন করবে।

এ সিদ্ধান্ত তার জাতীয় উন্নয়নের বৃহত্তর পরিকল্পনার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে, ট্রাওরে জনগণের অবকাঠামো উন্নত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন যাতে দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।

তার সরকার পাবলিক প্রকল্পগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য সংস্কার চালু করেছে। আবাসন মন্ত্রণালয় এখন পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে, পরিকল্পনা থেকে শুরু করে নির্মাণ পর্যন্ত, এবং সব নিরাপত্তা, পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগত মান পূরণের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

অবকাঠামো ছাড়াও, ট্রাওরে গৃহহীনতার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, বিশেষ করে নিরাপত্তা সমস্যার কারণে বাস্তচ্যুত মানুষদের জন্য। গত বছরের ১২ জুলাই তিনি ১,০০০টি সামাজিক আবাসন ইউনিট নির্মাণের প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন, যা তার প্রতিশ্রুতি ২০৩০ সালের মধ্যে সকল বুরকিনাবির জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করবেন।

অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনতার দিকে তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে আর্থিক সহায়তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পরিবর্তে, তিনি দেশের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করতে চান। তার সরকার কৃষি, স্থানীয় শিল্প এবং টেকসই উন্নয়নের দিকে মনোযোগ নিবদ্ধ করছে, যাতে শক্তিশালী একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা যায়।

সৌদি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, প্রেসিডেন্ট ট্রারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তার অগ্রাধিকার হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই তিনটি ক্ষেত্র বুরকিনা ফাসোর ভবিষ্যত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT