Tuesday 25 August 2026,

মরিশাসের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ তুলে দিচ্ছে যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত : 06:31 AM, 6 October 2024 Sunday 158 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পর ভারত মহাসাগরের বিতর্কিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের হাতে তুলে দিতে চলেছে যুক্তরাজ্য।

কয়েকবছরের আলোচনার পর একটি চুক্তির আওতায় এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য দ্বীপপুঞ্জটি মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করবে।

বিবিসি জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনও চূড়ান্ত হওয়া বাকি। তবে দুই পক্ষই যত দ্রুত সম্ভব চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী এক যৌথ ঘোষণায় বলেছেন, কয়েক দশক ধরে চলে আসা বিরোধের অবসান হতে চলেছে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে।

এই দ্বীপপুঞ্জে আছে দিয়েগো গার্সিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় প্রবালপ্রাচীর। এটি যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার নৌবাহিনীর জাহাজ এবং দূরপাল্লার বোমারু বিমানের সামরিক ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে।

তবে মরিশাসকে চাগোস ফিরিয়ে দেওয়া হলেও এর অন্তর্ভুক্ত ছোট ও প্রবালসমৃদ্ধ দিয়েগো গার্সিয়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে যাবে। এই ঘাঁটি সেখানে রেখে দেওয়ার শর্তেই মরিশাসের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব ফিরে পাওয়ার চুক্তিটি সামনে এগুতে পেরেছে; বিশেষ করে, অঞ্চলটিতে পশ্চিমা দেশগুলো এবং ভারত ও চীনের মধ্যকার ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে থাকার এই সময়ে।

১৯৬৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্য চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় এবং এখানে বসবাসরত ১ হাজার অধিবাসীকে জোর করে উচ্ছেদ করে। এ ঘটনার জন্য যুক্তরাজ্য পরে ক্ষমাও চেয়েছে।

মরিশাস সরকারের অভিযোগ ছিল, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার বিনিময়ে তাদেরকে বেআইনিভাবে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

ওই সময় ব্রিটিশ সরকার গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিও করে ফেলেছিল। যার আওতায় দিয়াগো গার্সিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে দু’পক্ষ একমত হয়েছিল।

তবে পরে দ্বীপপুঞ্জটি আর কৌশলগত উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনীয় না হওয়ায় যুক্তরাজ্য এটি মরিশাসের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও অতিসম্প্রতি যুক্তরাজ্য জোর দিয়েই বলে এসেছে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর মরিশসের কোনো বৈধ দাবি নেই।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT