Thursday 20 August 2026,

বোমার চালান আটকে রাখল যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইলকে সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : 08:04 AM, 9 May 2024 Thursday 151 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

এখন পর্যন্ত ইসরাইলের অস্ত্র ও গোলাবারুদের সবচেয়ে বড় যোগানদাতা যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইল যাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে তাই প্রতিবছর ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্য দেয় দেশটি।

ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধে দৃঢ় সমর্থন আছে যুক্তরাষ্ট্রের। তারপরও গাজাবাসীকে সুরক্ষা দিতে মানবিক ত্রাণ সহায়তা পৌঁছতে না পারা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন।

তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন প্রথমবারের মতো ইসরাইলে বোমার চালান পাঠানো পিছিয়ে দিল। খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসিকে নিশ্চিত করেই জানিয়েছেন, ২ হাজার পাউন্ডের কয়েক হাজার বোমার চালান পাঠানো স্থগিত করা হয়েছে। ইসরাইলের কাছে অন্যান্য অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও পুনরায় ভেবে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইসরাইলের ওপর সবচেয়ে বড় প্রভাবটা এখন কেন খাটাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? প্রথম কারণ হলো- যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক পশ্চিমা দেশেরই আশঙ্কা, রাফায় ইসরাইলের সর্বাত্মক অভিযান প্রচুর মানুষ হতাহতের ঘটনা ঘটবে এবং মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, যে বোমাগুলোর চালান তারা পিছিয়ে দিয়েছেন, সেগুলো রাফা অভিযানে ব্যবহার হতে পারত। আর তেমন হলে সেখানকার শহুরে এলাকায় তা বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনত।

যুক্তরাষ্ট্র চায় না ইসরাইল রাফায় হামলা করুক। আর সে বার্তাই তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার এটি আরেকটি পথ। যুক্তরাষ্ট্র কতটা উদ্বিগ্ন সেটি ইসরাইলকে দেখিয়ে দেওয়ারই বার্তা এটি- ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে হামাসের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সমর্থনের জন্য ইসরাইলি মন্ত্রিসভার ওপর চাপ বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। মিশরের কায়রোয় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। ইসরাইল এ আলোচনায় কোনো আপসরফায় পৌঁছতে রাজি না হলে তাদের এর চড়া মূল্য দেওয়াতে চাইতে পারে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে তৃতীয় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলকে সমর্থনের রাশ টেনে ধরতে ডেমোক্র্যাটিক সমর্থকদের কাছ থেকে প্রচণ্ড চাপের মুখে আছেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT