Thursday 27 August 2026,

তুষার ঝড়ের পর কানাডায় বিদ্যুৎবিহীন কয়েক লাখ মানুষ

প্রকাশিত : 04:11 PM, 8 April 2023 Saturday 178 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

তুষার ঝড়ের দুই দিন পরও কানাডার পূর্বাঞ্চলের কয়েক লাখ বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে তিনজনের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে মন্ট্রিয়লে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝড়ের পরপর কুইবেকের প্রায় ১১ লাখ ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও শুক্রবার তা প্রায় চার লাখে নেমে এসেছে।

কুইবেকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হাইড্রো-কুইবেক জানিয়েছে, বিভ্রাটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ শতাংশেরও বেশি গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।

ইউটিলিটি কোম্পানিটির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে,‘আমাদের দলগুলো কঠোর পরিশ্রম করছে এবং আমরা নিশ্চিত যে দিনের শেষ নাগাদ আরও দুই লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ ফিরে পাবে।

হাইড্রো-কুইবেকের মুখপাত্র রেগিস টেলিয়ার বলেন, কিছু বাড়ি রোববার এবং কিছু কিছু বাড়ি সোমবার পর্যন্ত বিদুৎবিহীন থাকবে। তবে অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করবে।

কুইবেকের রাজ্য প্রধান ফ্রাঁসো লেগল্ট বলেছেন, মন্ট্রিয়লের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তৃতীয় একজনের মৃত্যু হয়। ঘরে বহনযোগ্য জেনারেটর ব্যবহার করার সময় কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার তার মৃত্যু হয়।

এর আগে বুধবার পূর্ব অন্টারিওর এক বাসিন্দার গাছ চাপা পড়ে মারা যান। এছাড়া বৃহস্পতিবার ভোরে কুইবেকের ৬০ বছর বয়সী এক বাসিন্দা জমি পরিষ্কার করতে গিয়ে গাছের ডাল পড়ে মারা যান।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই মন্ট্রিয়লের বাসিন্দা। সেখানে ছয়টি অস্থায়ী জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বাসিন্দারা এসব আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাচ্ছেন।

ঝড়ের আঘাতে কানাডার দুটি সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য কুইবেক ও অন্টারিওতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

মন্ট্রিয়েলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরিবারগুলো উষ্ণ থাকার জন্য ঘরের ভেতরে বারবিকিউ ব্যবহার করায় কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ার প্রায় ৬০টি ঘটনার খবর পেয়েছেন।

শুক্রবার মন্ট্রিয়ল নগরীর শত শত কর্মচারীকে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে, বিশেষ করে বরফের ভারে ভেঙে পড়া ডাল ও আবর্জনাপূর্ণ পার্কগুলো পরিষ্কার করছেন তারা।

প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় বরফ গলতে শুরু করেছে। তবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগুলো কাঁপছে। এতে আরও গাছের ডাল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ এখনও মানুষকে বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT