Thursday 27 August 2026,

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনায় এগোচ্ছে চীন

প্রকাশিত : 05:17 AM, 19 April 2023 Wednesday 190 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

ইরান-সৌদি আরবের পর এবার ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় ভূমিকা রাখতে চলেছে দেশটি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে চীন প্রস্তুত বলে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া মঙ্গলবার এই তথ্য সামনে আনে।
এএফপি বলছে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি শীর্ষ কূটনীতিকদের সঙ্গে পৃথক ফোন কলে কথা বলেন এবং সে সময়ই শান্তি আলোচনা নিয়ে এ কথা বলেন। বেইজিং নিজেকে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অবস্থান পোক্ত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এর মধ্যেই ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সংকট নিরসনে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা এলো।

সিনহুয়া এক সারসংক্ষেপে জানিয়েছে, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের সঙ্গে সোমবার ফোনে কিন শান্তি আলোচনা ফের শুরু করার বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন এবং বলেছেন, চীন এর জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে কিন ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকিকে বলেছেন, বেইজিং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনা ফের শুরু করাকে সমর্থন করে। উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোন কলে ‘দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান’ বাস্তবায়নের ভিত্তিতে শান্তি আলোচনার জন্য চীনের আগ্রহের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং জোর দিয়েছেন বলে সিনহুয়া জানিয়েছে।

এ দিকে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমানকে তেহরানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের চিরবৈরী দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলানোয় সরাসরি অবদান রেখেছে চীন। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দেশের মধ্যে আবার বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা সহযোগিতাও শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন সৌদি বাদশাহকে ইরান সফরের আমন্ত্রণ জানাল তেহরান। এদিকে রাইসি বলেছেন, ইসরায়েল যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামান্যতম কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তেল আবিব ও হাইফা নগরীকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার ইরানের জাতীয় সেনা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট রাইসি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। অন্যদিকে আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর দোহাকে বয়কটের দুই বছরের বেশি সময় পর ফের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং দূতাবাস চালু করছে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT