Sunday 19 July 2026,

নিউজিল্যান্ডের আকাশে ‘ভিনগ্রহী মেঘ’!

প্রকাশিত : 10:24 PM, 15 November 2024 Friday 134 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

নিউজিল্যান্ডের প্রাকৃতিক দৃশ্য যেন কোনো ভিনগ্রহের কথা মনে করিয়ে দেয়। দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, সক্রিয় আগ্নেয়গিরি- এমন ভিনগ্রহী বৈশিষ্ট্য এর বায়ুমণ্ডল পর্যন্ত বিস্তৃত। যেখানে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ‘তাইরি পেট’ নামে পরিচিত বিশেষ একটি মেঘের দেখা মেলে।

চলচ্চিত্রকাররা নিউজিল্যান্ডকে ভালোবাসেন। ‘লর্ড অফ দ্য রিংস’ সিরিজের সব সিনেমার দৃশ্য এখানেই ধারণ করেছিলেন নির্মাতা পিটার জ্যাকসন।

তাইরি পেট শ্রেণির মেঘ নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডের ওটাগো অঞ্চলের ‘রক অ্যান্ড পিলার’ পর্বতমালার ওপর গঠিত হয়।

যে মেঘ দেখতে উত্তাল লেন্সের মতো, যা বিশেষ পরিস্থিতিতে দেখা যায়। এগুলো বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ারে গঠিত হয়। যা সাধারণত কোনো পর্বতমালার ওপর দিয়ে বায়ু প্রবাহের সময় দেখা যায়।

এই মেঘ তিন ধরনের হয়। যার একটি হচ্ছে- ‘অল্টোকিউমুলাস স্ট্যান্ডিং লেন্টিকুলার (এসিএসএল)’। বাকি দুটি হলো- ‘স্ট্র্যাটোকিউমুলাস স্ট্যান্ডিং লেন্টিকুলার (এসসিএসএল)’ এবং ‘সার্কোমুলাস স্ট্যান্ডিং লেন্টিকুলার (সিসিএসএল)’। আর প্রতিটি ধরনই গঠিত হয় ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতায়।

বাতাস যখন পর্বতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন পর্বতের অন্যপাশে একটি নিম্নচাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ অবস্থায় বায়ু প্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে এক ধরনের তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। আর পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সেসব তরঙ্গ দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, যেখানে ভূমিকা রাখে বায়ুর আর্দ্রতা ঘনীভূত হওয়ার ঘটনা।

মিডলমার্চ শহরের কাছাকাছি এমন মেঘ দেখা খুবই সাধারণ বিষয়। ১৮৯০ এর দশকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলোতেও এর কথা উঠে এসেছিল।

এমনকি স্থানীয়দের কেউ কেউ তাইরি পেটের উপস্থিতিকে ঝড়ের সম্ভাব্য সংকেত হিসেবেও বিবেচনা করেন বলে উঠে এসেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজের প্রতিবেদনে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT