Wednesday 19 August 2026,

আইসিজের নির্দেশ অমান্য, রাফায় হামলা চালাল ইসরাইল

প্রকাশিত : 05:42 AM, 25 May 2024 Saturday 172 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

গাজার রাফায় অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ইসরাইলকে নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। এ নির্দেশ অমান্য করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই রাফায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। শুক্রবার রাফার শাবৌরা শরণার্থী শিবিরে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়। খবর বিবিসির।

বিবিসি জানায়, আইসিজের রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই রাফা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত শাবউরা ক্যাম্পে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলের জঙ্গি বিমান। কুয়েত হাসপাতালের একজন কর্মী বিবিসিকে বলেন, তুমুল বোমা হামলার কারণে উদ্ধারকর্মীরা অভিযানস্থলে পৌঁছতে পারছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার শুনানিতে শুক্রবার ইসরাইলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতের ১৫ বিচারকের একটি প্যানেল।

একইসঙ্গে রাফার মিশর সীমান্ত ক্রসিং মানবিক ত্রাণ প্রবেশের জন্য খুলে দেওয়া, গাজায় তদন্তকারীদের প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে গাজায় ঢোকার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইসিজে।

তবে আইসিজের এ রায় ইসরাইল প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইসরায়েল বলছে, তাদের জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার অধিকার আছে তাদের। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে রায়ে আইসিজের প্রধান বিচারপতি নওয়াফ সালাম বলেন, রাফায় তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলের যেকোনো হামলা বন্ধ করতে হবে।

রাফায় ইসরাইলের হামলা বন্ধের দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের দ্বারস্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটি দাবি করে, গাজায় ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে। সেখানে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার দাবি করে দেশটি।

দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন আমলে নিয়ে আজ রাফায় হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আইসিজের বিচারকরা।

আদালতের বিচারকরা বলেছেন, ইসরাইল গাজার বাসিন্দাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং রাফা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করছে সেটিতে তারা সন্তুষ্ট নন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আজ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে— সেটি দেওয়া হয়েছে মূলত যেন গাজার সাধারণ মানুষের অবস্থার আর অবনতি না ঘটে।

এছাড়া জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এ আদালত এবারই প্রথমবারের মতো দখলদার ইসরাইলকে এমন নির্দেশ দিয়েছে; যেটির মাধ্যমে তাদের সামরিক পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT