Saturday 18 July 2026,

অবৈধ অভিবাসী দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

প্রকাশিত : 08:44 AM, 20 November 2024 Wednesday 135 বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের জন্য সামরিক বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করে সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছেন বলে সোমবার দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে।

জো বাইডেনের প্রশাসনের সময়ে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, যা ট্রাম্পের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিরক্তির কারণ ছিল। প্রথম মেয়াদে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। এবারের নির্বাচনে তার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ অভিবাসীমুক্ত করা।

ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একজন রক্ষণশীল অধিকারকর্মী দাবি করেছেন, বাইডেন আগের অভিবাসী বিতাড়নের প্রকল্পে বাধা দিয়েছিলেন। ট্রাম্প সেই অবস্থা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি এবং সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ওই পোস্ট শেয়ার করে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, “সত্য।”

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসী বসবাস করছে। যদি ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি অন্তত ২ কোটি পরিবারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

আগামী ২০ জানুয়ারি ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে শপথ নেবেন এবং এর আগে তিনি তার প্রশাসন গঠন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি অভিবাসন বিষয়ে কট্টরপন্থি টম হোম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছেন। এছাড়া, তিনি উইসকনসিনের সাবেক প্রতিনিধি ও ফক্স বিজনেস নিউজের সঞ্চালক শন ডাফিকে পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবে মনোনীত করেছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবে শন ডাফি যুক্তরাষ্ট্রের বিমান, গাড়ি, রেল, ট্রানজিট এবং অন্যান্য পরিবহণ খাতের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বড় অবকাঠামো নির্মাণ, হালনাগাদ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজেও নিয়োজিত থাকবেন।

ঘোষণার পর শন ডাফি এক্সে একটি পোস্টে লেখেন, “আমি পরিবহণ খাতের সোনালি যুগে আপনাদের নিয়ে যেতে খুবই আগ্রহী।” তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ডাফির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুহার কমানো।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© 2026 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT