মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার লাকসামে নাঈম হোসেন আকাশ (১২) নামের এক শিশু ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাঁদপুর থেকে আসা ডুবরিদল দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।   জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর উত্তরপাড়ার দিনমজুর মো. মানিক মিয়ার ছেলে নাঈম হোসেন আকাশ দুপুরে বাড়ির পাশে ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে তলিয়ে যায়। পরে তার বাবা-মা নদীর ঘাটে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।    সংবাদ পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহদাত হোসেইনের নেতৃত্বে দমকল বাহিনী শিশুর সন্ধান করতে পারেনি। পরে চাঁদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র ডুবরিদল এসে দীর্ঘ চেষ্টার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।  স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, শিশুটির মৃগী রোগ ছিল। তাদের ধারণা নদীতে গোসল করতে নামার পর সে মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়েছে। আর তখনই হয়তো নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.কে.এম সাইফুল আলম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন শামীম ও লাকসাম পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবদুল আলিম দিদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও শিশুর পরিবারকে সান্ত্বনা জানান।

কুমিল্লার লাকসামে নাঈম হোসেন আকাশ (১২) নামের এক শিশু ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাঁদপুর থেকে আসা ডুবরিদল দল তার মরদেহ উদ্ধার করে। জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর উত্তরপাড়ার দিনমজুর মো. মানিক মিয়ার ছেলে নাঈম হোসেন আকাশ দুপুরে বাড়ির পাশে ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে তলিয়ে যায়। পরে তার বাবা-মা নদীর ঘাটে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সংবাদ পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহদাত হোসেইনের নেতৃত্বে দমকল বাহিনী শিশুর সন্ধান করতে পারেনি। পরে চাঁদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র ডুবরিদল এসে দীর্ঘ চেষ্টার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, শিশুটির মৃগী রোগ ছিল। তাদের ধারণা নদীতে গোসল করতে নামার পর সে মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়েছে। আর তখনই হয়তো নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.কে.এম সাইফুল আলম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন শামীম ও লাকসাম পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবদুল আলিম দিদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও শিশুর পরিবারকে সান্ত্বনা জানান।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT