শনিবার ২৮ মে ২০২২, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ কুকুর ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণে বিদেশে গিয়ে ‘লাপাত্তা’ ২ পুলিশ ◈ ‘আমরা আর যুদ্ধ করব না’, জানালেন ক্ষুদ্ধ ইউক্রেনীয় সেনারা ◈ ভারতে গ্রেফতার বাংলাদেশের আর্থিক খাতের আলোচিত জালিয়াত, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার হালদার ওরপে পিকে হালদারকে ১১ দিনের বিচার বিভাগীয় রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতার একটি আদালত। পিকের সঙ্গে আরও পাঁচজন আসামি রয়েছেন। আগামী ৭ জুন পর্যন্ত সবার এই রিমান্ড চলবে। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিচারপতি সৌভিক ঘোষ এ আদেশ দেন। কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া পিকে হালদার গত ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশপরগনা জেলার অশোকনগর থেকে গ্রেফতার হন। পিকেসহ ছয়জনকে ওই দিন গ্রেফতার করে ভারতের কেন্দ্রীয় সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গ্রেফতারের পর পিকে হালদারকে আদালতে হাজির করলে প্রথম দফায় তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ড শেষে গত ১৭ মে তাকে আদালতে হাজির করলে তাকে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এক নারীসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে ‘হাওয়ালা’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে টাকা পাচারের অভিযোগে ২০০২ সালের আইনে মামলা করা হয়। পিকে হালদার ও তার সহযোগীরা পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা ও সম্পত্তিতে এসব অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ◈ রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ লিপু হত্যাকাণ্ড: রহস্য অজানা, খুনিরা অধরা ◈ গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনের দখল নিয়ে নিল রাশিয়া ◈ ‘বিশেষ দক্ষ কমান্ডারদের ব্যবহার করে শহরটি দখল করেছে রাশিয়া’ ◈ ২৬ জনকে গ্রেফতার, নানা কৌশলে ছিনতাই-চাঁদাবাজি করত তারা ◈ গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেফতার ◈ হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবি ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও ১১ ছাত্রসংগঠনের

১৬ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

প্রকাশিত : ০৪:০৭ পূর্বাহ্ণ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রবিবার ১,০১১ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

আমতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়ার খাল, রামনাবাদের শাখা খাল ও রামজীর খালে সেতু না থাকায় ২০ বছর ধরে ওই এলাকার ১৬ গ্রামের মানুষ তিনটি বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে চলাচল করছে। ভোগান্তি দূর করতে তিনটি সেতু তৈরির দাবি এখানকার ২৫ হাজার মানুষের।

পচাকোড়ালিয়া খালের ওপর প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয়রা তাদের চলাচলের জন্য বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মাণ করে। এই খাল আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন এবং তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়ে দুই উপজেলাকে ভাগ করে প্রবাহিত হয়ে পায়রা নদীতে সংযুক্ত হয়েছে। এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে এবং স্কুল-কলেজগামী শিশুশিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে। এ ছাড়া এ এলাকার আশপাশের প্রায় ১৬ হাজার মানুষের হাট-বাজার এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য আমতলী সদর, তালতলী সদর ও বরগুনা জেলা শহরে যেতে হয় এই সাঁকো পার হয়ে। এতে তাদের ভোগান্তি আর বিড়ম্বনার শেষ থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও তা উপেক্ষিতই রয়েছে।

অন্যদিকে, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের রামজীর খালেও সাঁকো পার হয়ে চলাচল করছে গুরুদল, হলদিয়া, চিলা ও নাচনাপাড়ার প্রায় চার হাজার মানুষ। সাঁকোর কারণে অনেক সময় অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের এবং মুমূর্ষু রোগীদের চিকিৎসার জন্য গ্রামের বাইরে নেওয়া যায় না। ফলে তাদের চিকিৎসায় এখনও ওঁঝা বা কবিরাজই একমাত্র ভরসা। চিলা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব নারী আম্বিয়া খাতুন বলেন, ‘বাবাগো বাঁশের এই হাক্কা পারাইতে গেলে পরানডা উইলডা যায়। মোগো দয়া হইর‌্যা এই হানে একখান ব্রিজ বানাইয়া দ্যান।’

হলদিয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন জানান, এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে এখানে জরুরিভিত্তিতে একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

এদিকে আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এবং টেপুরা গ্রামকে ভাগ করেছে রামনাবাদ নদীর শাখা খাল। এই শাখা খাল পেরোতেও দুই গ্রামের ৫ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো। মাছুয়াখালী গ্রামের শিক্ষার্থী আরিফ বিল্লাহ জানায়, বর্ষার সময় সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে যায়। ভয়ে এখন আর স্কুলে যায় না সে। মধ্য টেপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলম মল্লিক বলেন, বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের কথা বিবেচনা করে রামনাবাদ শাখা খালের ওপর জরুরিভিত্তিতে একটি সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।

আমতলী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে উল্লেখিত খাল তিনটিতে শিগগিরই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT