রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে কোথায়?

প্রকাশিত : ০৫:২৮ অপরাহ্ণ, ১৪ জুলাই ২০২২ বৃহস্পতিবার ৭৯ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

শ্রীলংকার এক সময়ের শক্তিশালী রাজনীতিবীদ মাহিন্দা রাজাপাকসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন।

তার পদত্যাগের দাবিতেই মূল আন্দোলনটাই শুরু হয়। যা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।

এরপর আন্দোলনের মুখে তার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। মাহিন্দা ও গোতাবায়ার ছোট ভাই সাবেক অর্থমন্ত্রী বাসিল রাজাপাকসেও পালিয়ে গেছেন।

এখন প্রশ্ন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে কোথায় আছেন?

গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মাহিন্দা রাজাপাকসে এখনো শ্রীলংকায় আছেন।
তার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে মাহিন্দা রাজাপাকসের শ্রীলংকা ছেড়ে পালানোর কোনো ইচ্ছা নেই। তিনি লংকানদের এমন কঠিন সময়ে তাদের পাশেই থাকবেন।

তাছাড়া মাহিন্দা রাজাপাকসের বড় ছেলে সাবেক মন্ত্রী নামালও দেশে থাকবেন। জনসম্মুখে এমন ঘোষণা দিয়েছেন নামাল নিজে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাহিন্দা রাজাপাকসের ঘনিষ্ঠ সূত্রটি আল জাজিরাকে জানিয়েছে, তারা পরিস্কারভাবে জানিয়েছেন তারা শ্রীলংকা ছাড়বেন না।কিন্তু মাহিন্দা রাজাপাকসে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খুবই ব্যথিত।

এদিকে মাহিন্দা রাজাপাকসে ১৯৭০ সালে রাজনীতিতে আসেন। ২০০৫ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হন তিনি। এরপরই নিজের ভাইদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসেন তিনি।

মাহিন্দা রাজাপাকসে ও তার ভাই তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসেকে নিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠি তামিল টাইগারদের কঠোর হস্তে দমন করেন।

তাদের দমন-পীড়নে ২০০৯ সালে শ্রীলংকায় তামিল টাইগারদের সঙ্গে চলমান গৃহযুদ্ধ থেমে যায়। তবে এ সময়টায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও বিভিন্ন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।

তামিলদের সঙ্গে বিদ্রোহে ৪০ হাজার বেসামরিক নাগরিকসহ অসংখ্য বিদ্রোহী নিহত হন।

সূত্র: আল জাজিরা

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT