শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি সহনশীন হয়ে গেছে কয়েকটি দেশ’

প্রকাশিত : ১১:০২ অপরাহ্ণ, ২৬ মে ২০২২ বৃহস্পতিবার ১২৭ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি কয়েকটি দেশ সহনশীন হয়ে গেছে বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন। রাশিয়ান অর্থের আবেদন কয়েকটি দেশকে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি সহনশীল করে তুলেছে বলে অভিযোগ করেছে তিনি।

মস্কোকে সন্তুষ্ট করার জন্য আঞ্চলিক ছাড় গ্রহণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে বৃহস্পতিবার জেলেনস্কি এ কথা বলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

লাটভিয়ার পার্লামেন্টে ভিডিও কনফারেন্সে দেওয়া এক বক্তব্যে জেলেনস্কি বলেন, আজ আমরা শুনছি যে কথিতভাবে রাশিয়া যা চায় তা দেওয়া উচিত। হয়তো এ ব্যাপারে সম্মত হওয়া প্রয়োজন যে কিছু মানুষ তাদের বৈদেশিক নীতির কিছু অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারে। আমাদের এই নীতির জন্য লড়াই করতে হবে যে জাতিসত্তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

এর সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইউক্রেনের রাশিয়ার কাছে নিজের ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য এমন মন্তব্যের প্ররিপ্রেক্ষিতে জেলেনস্কি বলেছিলেন, রাশিয়ান রাষ্ট্র যাই করুক না কেন, এমন কেউ আছেন যিনি বলেন, ‘আসুন এর স্বার্থ বিবেচনা করা যাক।’ এ বছর আবারও শোনা গেল দাভোসে। হাজার হাজার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে আঘাত করার পরও। হাজার হাজার মানুষ মারা যাওয়ার পরও। বুচা কিংবা মারিউপোলের পরিস্থিতির পরও। বিভিন্ন শহর ধ্বংস হওয়ার পরও।

জেলেনস্কি আরও বলেন, রাশিয়া ইউরোপে এই সব করেছে। কিন্তু তারপরও, দাভোসে, গভীর অতীত থেকে উঠে এসে কিসিঞ্জার বলেছেন, ইউক্রেনের কিছু ভূখণ্ড রাশিয়াকে ছেড়ে দেওয়া উচিত।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক সম্মেলনে কিসিঞ্জার আরও বলেছিলেন, ইউক্রেনের অধিকাংশ মানুষই চার মাসে প্রবেশ করা এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে।

এ সময় কিসিঞ্জার ইউক্রেনে রাশিয়ার জন্য বিব্রতকর পরাজয় না চাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, এতে ইউরোপের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার অবনতি ঘটাতে পারে।

তিনি আরও বলেছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর ইউরোপের প্রতি রাশিয়ার গুরুত্বের কথা মনে রাখা উচিত এবং ‘মুহুর্তের মোহে’ ভেসে যাওয়া উচিত নয়। এ সময় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ‘পূর্বতন স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস ক্যু)’ আগের অবস্থায় ফিরে যেতে আলোচনায় বসার জন্য ইউক্রেনকে চাপ দিতে পশ্চিমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন কিসিঞ্জার।

জেলেনস্কি কিসিঞ্জারের মতামতকে ১৯৩৮ সালে নাৎসি জার্মানির মনোভাবের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT