বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলবেন নাভালনির স্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:২১ পূর্বাহ্ণ, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মঙ্গলবার ৯ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

মৃত স্বামীর দর্শন সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া। এমনকি রাশিয়ার স্বাধীনতার পক্ষেও কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে এ বার্তা দেন তিনি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি অ্যালেক্সি নাভালনির কাজ চালিয়ে যাব। আমি আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাব এবং আপনাদের আমার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

এরপর তিনি নাভালনির মৃত্যুর সঙ্গে সন্দেহভাজন জড়িত উল্লেখ করে বলেন, ‘লড়াই চালিয়ে যান এবং হাল ছাড়বেন না। আমি ভীত নই এবং আপনারও হওয়া উচিত নয়।’ এরপর ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করেছেন নাভালনির স্ত্রী।

সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান জোসেফ বোরেল তাকে স্বাগত জানিয়েছেন। সেখানে নাভালনির স্মৃতিতে ‘সম্মান’ জানানো হয়। স্বামীর হারানো শোকের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। সরাসরি তাকে হত্যাকারী বলে আখ্যায়িত করেছেন ইউলিয়া।

তিনি বলেন, ‘ভ্লাদিমির পুতিন আমার স্বামী অ্যালেক্সি নাভালনিকে হত্যা করেছেন। তিন বছর যন্ত্রণা ও নির্যাতনের পর জেল কলোনিতে আলেক্সি মারা যান। পুতিন আমার কাছ থেকে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটি কেড়ে নিয়েছিলেন, সবচেয়ে কাছের এবং সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি।’

এর আগে রোববার তার স্ত্রী ইউলিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন। দুজনের একটি পুরোনো ছবির সঙ্গে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ ক্যাপশন জুড়ে দেন। স্বামীর মৃত্যুর পর এটিই তার প্রথম পোস্ট।

ছবিটিতে দেখা যায়- স্ত্রীর মাথায় ঠোঁট স্পর্শ করে আছেন নাভালনি। নাভালনির জন্য এমন ভালোবাসা প্রিয়জন ছাড়া বাইরের দেশে অবস্থানরত অসংখ্য রাশিয়ানদের মধ্যেও দেখা গিয়েছে। সেসব সমর্থক অধিকাংশই পুতিনবিরোধী হওয়ায় অত্যাচার থেকে বাঁচতে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকেও পুতিনের বিরোধিতা করা হচ্ছে। এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্গাস সাহকনা সোমবার স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘পুতিন একজন খুনি।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT