সোমবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাজধানী ঘিরে দুই শতাধিক অবৈধ আবাসন প্রকল্প

প্রকাশিত : ০৯:০০ পূর্বাহ্ণ, ২১ জানুয়ারি ২০২৩ শনিবার ৫ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রাজধানীর মোহাম্মদপুরসংলগ্ন বছিলা ব্রিজ পার হয়ে কিছুদূর এগোলেই রাস্তার উত্তর পাশে দৃষ্টিনন্দন একটি ফটক। এক পাশে শিশুদের খেলার পার্ক ও রেস্তোরাঁ। অন্য পাশে সুন্দর একটি একতলা অফিস। ফটকে দাঁড়ালেই দেখা যায় ভেতরে ইটের সীমানাপ্রাচীর দেওয়া কিছু প্লট। দু-একটিতে ভবনও উঠে গেছে। এটি হলো আবাসন প্রকল্প ‘মধু সিটি’।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগেও ওই জায়গায় চলত কৃষিকাজ। ছিল বনবাদাড়, জলাভূমি, খাল-নালা ও দু-একটি ঘরবসতি। চোখের পলকেই হয়ে গেছে আবাসন প্রকল্প।

শুধু মধু সিটি নয়, কেরানীগঞ্জের সর্বত্রই এখন এ রকম আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি। ম্যাক্সওয়েল সিটি, মিলেনিয়াম সিটিসহ ‘সিটি’র অভাব নেই। এগুলোর সবই তৈরি করা হয়েছে কৃষিজমি, জলাশয়, গাছপালা উজাড় করে। আবার এ চিত্র শুধু কেরানীগঞ্জেরই নয়, রাজধানী লাগোয়া সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জেরও অনেক জায়গায় এ রকম অসংখ্য ‘সিটি’।

রাজধানীর চারপাশজুড়ে এ রকম দুই শতাধিক অবৈধ আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। নিয়ম লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সেগুলোর অনুমোদন দেয়নি। তবে তারা চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের মন ভুলিয়ে পকেট কাটছে। সাধারণ মানুষও মাথা গোঁজার স্বপ্নে বিভোর হয়ে উচ্চমূল্যে প্লট কিনছেন। কিন্তু রাজউক অনুমোদন না দেওয়ায় অনেকেই ঘরবাড়ি বানাতে পারছেন না। অবশ্য কেউ কেউ রাজউকের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা) থেকে অনুমতি নিয়ে বাড়ি বানিয়ে ফেলছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আবাসন প্রকল্প গড়ে ওঠা জায়গাগুলোর দাম কিছু দিন আগেও ছিল যৎসামান্য। প্রতি কাঠা ৪-৫ লাখ টাকার বেশি নয়। ওই রকম মূল্যে কিনে প্লট তৈরি করে প্রতি কাঠা ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকে কালো টাকা সাদা করার জন্যও এসব প্লট কিনছেন।

মধু সিটির ম্যানেজার (সেলস ও মার্কেটিং) এনায়েত হোসেন আরিফ জানান, তাঁদের প্রকল্পে এখন প্রতি কাঠা জমির মূল্য ৫০ লাখ টাকার কাছাকাছি।

কেরানীগঞ্জের তারানগরের কলমচর এলাকায় গড়ে ওঠা সাফা গ্রিন সিটি প্রকল্পের সুপারভাইজার মোহাম্মদ দুলাল বলেন, তাঁরা বর্তমানে ২৫ লাখ টাকা কাঠা বিক্রি করছেন। রাজউকের অনুমোদন না থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁদের প্রকল্পে ২৫ ফুটের কম প্রশস্ত কোনো রাস্তা নেই। তারপরও রাজউক যে কেন অনুমোদন দেয় না, তাঁরা জানেন না।

সরেজমিন দেখা যায়, সাফা সিটিতে বছিলা থেকে পাইপ দিয়ে প্রকল্পে বালু ভরাটের কাজ চলছে। কোনো ঘরবাড়ি না উঠলেও কিছু প্লটে সীমানাপ্রাচীর দেওয়া। সেগুলো বিক্রি হয়েছে বলে জানান দুলাল।

কেরানীগঞ্জের নিমতলী রোডের দেওলী মৌজায় একইভাবে গড়ে ওঠা ম্যাক্সওয়েল ওয়েস্টার্ন সিটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক শফিকুল হাসান বলেন, তাঁদের প্লট বুকিং দেওয়ার ১০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়। তাঁদের জমিতে কোনো ভেজাল নেই।

কিন্তু নিচু জমি, জলাশয়, কৃষিজমি ভরাট করে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় কিনা- সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফোনে ম্যাক্সওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমির হামজা বলেন, এটা সংক্ষেপে বলা যাবে না। বিস্তারিত ব্যাপার। আর এটা শুধু ম্যাক্সওয়েল গ্রুপের প্রকল্পের ক্ষেত্রেই ঘটছে না, সব আবাসন প্রকল্পই এভাবে গড়ে উঠছে।

প্রায় একই অবস্থা কেরানীগঞ্জের তারানগরের বেউতায় গড়ে ওঠা স্বপ্ন নিবাস প্রকল্পের। এর স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলডিএ) সদস্য মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, একটি প্রকল্প শুরুর সময় রাজউকের নিবন্ধন নিতে হয়। এর পর রাজউকে আবেদন করতে হয় প্রকল্পের অনুমোদনের জন্য। কিন্তু রাজউকের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে অনেক জায়গার ছাড়পত্র লাগে। অনেক শর্ত পূরণ করতে হয়, যেটা সহজ নয়।

এ রকম অবৈধ প্রকল্পের মধ্যে আরও রয়েছে- পূর্বাচল বেস্টওয়ে সিটি, কানাডিয়ান সিটি, আমেরিকান সিটি, পূর্বাচল গ্রিন টাউন, স্বপ্নধরা, সুখনিবাস, ভুলুয়া সিটি, সোনার বাংলা হাউজিং, শরীফ হাউজিং, রয়েল সিটি, আমুলিয়া মডেল টাউন।

এ প্রসঙ্গে রাজউক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা বলেন, একটি হাউজিং প্রকল্প করতে হলে সেখানে নিয়ম অনুযায়ী জলাধার, উন্মুক্ত স্থান, স্কুল, খেলার মাঠ- এগুলো রাখার কথা। এগুলো না রেখে যদি তারা অনুমোদন চায়, তাহলে তো আমরা দেব না। যারা শর্তগুলো পূরণ করেছে তারা পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক হাউজিং কোম্পানি জমি না কিনে জমির মালিকের কাছ থেকে সম্মতি নেয়। তারপর প্লট বানিয়ে ওই মালিকের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে দেয়। এগুলোও রাজউক নিয়ন্ত্রণ করবে।

সবচেয়ে নাজুক অবস্থা দেখা যায় কেরানীগঞ্জের আটিবাজারের কলাতিয়া রোডে গড়ে তোলা মুক্তধারা আবাসন প্রকল্পে। সাভারগামী রাস্তার দু’পাশে বিস্তীর্ণ মাঠের বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো রয়েছে বড় বড় সাইনবোর্ড। এরই মধ্যে চলছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, ওলকপিসহ নানা সবজি ও ফসলের চাষবাস। স্থানীয়রা জানান, জমি না কিনে কিছু কিছু জায়গা ভাড়া নিয়ে এসব সাইনবোর্ড বসিয়েছে হাউজিং কোম্পানি। পরে তাদের কাছ থেকে জোর করে কিনে নেয়।

সম্প্রতি রাজউক কেরানীগঞ্জের ১৬টি আবাসন প্রকল্পে প্লট কেনাবেচা বন্ধে নোটিশ দিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময় গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার এলাকায় গড়ে ওঠা হাউজিং কোম্পানির ক্ষেত্রেও এ রকম নোটিশ দিয়েছে। তার পরও প্লট বেচাকেনা ও ভরাট কার্যক্রম থেমে নেই।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, আবাসন ব্যবসায়ীরা যাতে আর কোনো কৃষিজমি ও জলাধার ভরাট করে প্রকল্প করতে না পারে, এ জন্য এখন থেকে জমি কিনতে গেলে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অনুমতি নিতে হবে। ডিসি যাচাই-বাছাই করে অনুমতি দিলে সেই জমি আবাসন ব্যবসায়ীরা কিনতে পারবেন। শিগগির এ ব্যাপারে ডিসিদের চিঠি দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আবাসন প্রকল্প কোনটি বৈধ আর কোনটি অবৈধ, তা বুঝতে হলে আমাদের দেশের আইন এবং আদালতের রায় জানতে হবে। আমার বিবেচনায়, রাজউকের অনুমোদন পাওয়া কিছু প্রকল্পও প্রচলিত আইনে অনুমোদন পেতে পারে না। কেননা সেগুলো জলাশয়ের শ্রেণি পরিবর্তন করে অনুমোদন পেয়েছে, যা আইনসিদ্ধ নয়। নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজউক ব্যর্থ, এটা সবাই মানবেন। রাজউকও এখন হাউজিং ব্যবসায়ী। প্রতিষ্ঠানটি নিজেই এই আইন ভেঙে তার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে। ফলে রাজউকের আইন প্রয়োগের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, রাজউক বলেন আর ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি আবাসন বলেন, এগুলো এক ধরনের ভূমিদস্যু। এসব প্রকল্পে বেশিরভাগ মানুষ ঠকে। জলাশয় আর কৃষিজমিকে কারবালা বানিয়ে সাধারণ মানুষের জমি ধনীদের হাতে তুলে দেওয়া এসব প্রকল্পের কাজ। শহরকে বাঁচাতে রাজউকের পুনর্গঠনের বিকল্প আমি দেখি না।

ক্রেতা বিপাকে, অনুমোদন দেয় ইউনিয়ন পরিষদ :এসব ভুঁইফোঁড় আবাসন প্রকল্পের প্লট কিনে বিপাকে পড়ছেন অসংখ্য মানুষ। ভুক্তভোগী একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাঁরা কয়েকজন মিলে ২০১১ সালে সাভারের বিকেএসপি সংলগ্ন আলোকিত বাংলাদেশ-২ নামের একটি প্রকল্পে পাঁচ কাঠার একটি প্লট কিনেছিলেন। বছর দুয়েক পর চার কাঠা রেজিস্ট্রি করে দেয়। বাকি এক কাঠা এখনও রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। প্রকল্পের কাজেরও অগ্রগতি নেই। কিছু দিন আগে জানতে পারেন, প্রকল্পটির কোনো অনুমোদনই নেই।

তিনি বলেন, ওই এলাকায় আলোকিত বাংলাদেশ নামে আরও দুটি আবাসন প্রকল্প রয়েছে। সেখানে শত শত মানুষ প্লট কিনেছেন। কেউ ঘর বানাতে পারেননি। অথচ ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ের পাশে আকর্ষণীয় সাইট অফিস বানিয়ে রেখেছে বহুদিন ধরে।

২০১৩ সালের এপ্রিলে সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর রাজউক আওতাধীন এলাকায় কোনো ভবনের নকশার অনুমোদন স্থানীয় সরকার দিতে পারবে না বলে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। কিন্তু দেখা গেছে, তার পরও গড়ে উঠেছে অসংখ্যা ভবন। এসব আবাসন প্রকল্প ও ওইসব এলাকায় গড়ে ওঠা ঘরবাড়ির কোনোটিই রাজউকের অনুমোদিত নয়।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে একেকটি বহুতল ভবন তৈরি করা হয়েছে।

রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, রাজউক এলাকায় অন্য কারও নকশার অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার নেই। তার পরও অনেকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনুমতি নিয়ে ঘরবাড়ি তুলছে। তারা এ ব্যাপারে সাভার, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভাগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছেন। আগে এগুলো মনিটরিং করার মতো জনবলের ঘাটতি ছিল। এখন এটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে।

কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ফারুক বলেন, ‘বছর দশেক ধরে বাড়ি বানানোর অনুমোদন দিচ্ছি না। আগে ভূমি ব্যবহারের আবেদনে একটা স্বাক্ষর করতাম। রাজউকের চিঠি পাওয়ার পর সেটাও দিচ্ছি না।’

রাজউক চেয়ারম্যান জানান, এখন থেকে রাজউকের অনুমোদনহীন ভবনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। তবে ভবনটি ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে তৈরি হলে জরিমানা আদায় সাপেক্ষে বৈধতা দেওয়ার কথা ভাববে রাজউক।

অনুমোদন শুধু ৩২টির :২০০৪ সালে বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা জারি হওয়ার পর থেকে রাজউকের হিসাব অনুযায়ী, ড্যাপের আওতাধীন এলাকায় অনুমোদিত আবাসন প্রকল্পের সংখ্যা মাত্র ৩২টি।

এর মধ্যে রয়েছে- ইস্টার্ন হাউজিংয়ের পল্লবী প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব, বনশ্রী নিউ টাউন, ইউনাইটেড সিটি আবাসিক প্রকল্প (প্রথম পর্ব), গ্রিন মডেল টাউন আবাসিক প্রকল্প (প্রথম পর্ব), বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব, জলসিড়ি আবাসন প্রকল্প, স্বর্ণালি আবাসন প্রকল্প, সানভ্যালি আবাসিক প্রকল্প (প্রথম পর্ব), আশালয় আবাসিক প্রকল্প (প্রথম পর্ব), ঢাকা ভিলেজ আবাসিক প্রকল্প, আরামবাগ কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির মিরপুর ল্যান্ড প্রজেক্ট, কল্যাণপুর ল্যান্ড প্রজেক্ট, মহানগর প্রকল্প, মিরপুরের শীশমহল ল্যান্ড প্রজেক্ট বাগবাড়ি, কেএম দাস লেন আবাসিক প্রকল্প, ধানমন্ডির রায়েরবাজার প্রকল্প, পোস্তগোলা আবাসিক প্রকল্প, পোস্তগোলা রিভারভিউ ল্যান্ড প্রজেক্ট, বাসাবো আবাসিক প্রকল্প, নিকেতন আবাসিক প্রকল্প, বায়তুল আমান কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি প্রকল্প, পিসিকালচার হাউজিং প্রকল্প, আদর্শ ছায়ানীড় গৃহনির্মাণ সমবায় সমিতির হাউজিং প্রকল্প, শিকদার রিয়েল এস্টেটের ধানমন্ডি প্রকল্প, আব্দুর রফিক হাউজিংয়ের প্রকল্প, সুনিবিড় গৃহনির্মাণ সমবায় সমিতির প্রকল্প, তেজগাঁওয়ের মেট্রোপলিটন ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ হাউজিং প্রকল্প, জনতা হাউজিং, মুক্তি আবাসিক প্রকল্প, মল্লিকা আবাসিক প্রকল্প, প্রবাল হাউজিং ও ক্যাপ হাসন হাউজিং প্রকল্প পাইকপাড়া।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT