শনিবার ২৫ মে ২০২৪, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করতে পারবেন বিদেশি কর্মীরা

প্রকাশিত : ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার ২৪ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

দুই খাতে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। মঙ্গলবার বিদেশি কর্মীদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে শ্রমের ঘাটতির সম্মুখীন দুটি খাত হচ্ছে প্লান্টেশন এবং কৃষি।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিদেশি শ্রমিকদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মানবসম্পদ মন্ত্রীর মধ্যে দশম যৌথ কমিটির বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রী দাতুক সেরি মোহাম্মদ সাবু, স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাতুক ডা. জুল্কফ্লাই আহমেদ এবং গণপূর্ত মন্ত্রী দাতুক আলেকজান্ডার নান্তা লিঙ্গি।

বৈঠকের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল প্লান্টেশন ও কমোডিটি মন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল গনির সঙ্গে দেখা করলে মন্ত্রী বৃক্ষরোপণ সেক্টরে শ্রমিকের অভাবের সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, এ পদ্ধতিটি (নিয়োগকর্তা পরিবর্তন) আমরা প্রয়োগ করব। কারণ কর্মীদের দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়; এটি বাধ্যতামূলক শ্রমের মধ্যে পড়বে, যা আমাদের রেটিংকে প্রভাবিত করবে।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক শ্রম এবং মানবপাচার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ডিসপিউট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিয়োগকর্তা বিদেশি কর্মী নিয়ে এসেছেন এবং স্পষ্টতই তিনি চাকরি দিতে পারবেন না; তাই আমরা কর্মচারীকে প্রাধান্য দিয়ে নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের অনুমতি দিচ্ছি।

মিডিয়া পূর্বে রিপোর্ট করেছিল যে বিদেশি শ্রমিকের অভাবে রাবার সেক্টর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন করতে পারছে না। প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার হেক্টর রাবার বাগান শ্রমিকের অভাবের কারণে কাজ শুরু করতে পারেনি। অনুমান করা হয় যে রাবার সেক্টরে ৭০ হাজারের বেশি বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে।

এদিকে সাইফুদ্দিন বলেন, কমিটি আরও সম্মত হয়েছে, বিদেশি শ্রমিকদের দেশে আনার আবেদনের সময়সীমা ২৯ মাস ১৩ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ মাস ২৩ দিন করার।

প্রসঙ্গত, আগে আমাদের ফ্লো চার্ট, প্রক্রিয়া, অনুমোদন, এজেন্সি ইন্টারভিউ, লেভি পেমেন্ট, শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনের চিঠি, ভিসার জন্য অপেক্ষা করা, ভিসা ইস্যু করা- এ সমস্ত কিছুতে কোটার আবেদন থেকে কর্মীদের প্রবেশের জন্য ২৯ মাস এবং ১৩ দিন সময় লাগত।

তিনি আরও বলেন, ফি, খরচ, চুক্তির শর্তাবলী এবং স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে উৎস দেশের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পুনরায় পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT