মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪০ ◈ হাতিরঝিলের সেই অজ্ঞাত লাশের রহস্য উদঘাটন হল যেভাবে ◈ ফের করোনা সংক্রমণের রেকর্ড, এক সপ্তাহে শনাক্ত ২৪ লাখ ◈ আজ দেশের যে ১১ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ অবশেষে মুক্ত ভিসি, আন্দোলন স্থগিত ◈ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার সুপারিশ ◈ বৃহস্পতিবার কুয়েতের আদালতে তোলা হচ্ছে এমপি পাপুলকে ◈ সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা, নাটোরের দুই কোল্ড স্টোরেজকে জরিমানা ◈ টটেনহ্যামের বিপক্ষে ওয়েস্টহ্যামের নাটকীয় ড্র ◈ শুধু ফ্রি ওয়াই-ফাই পেতে সদ্যোজাত সন্তানের ব্যাপারে যে অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিলেন দম্পতি!

ব্যবসায়ীদের দোকানপাট খোলার প্রস্তুতি, শঙ্কায় নেটিজন

প্রকাশিত : ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, ৭ মে ২০২০ বৃহস্পতিবার ১০৬ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রমজান ও ঈদ সামনে রেখে শর্তসাপেক্ষে ১০ মে থেকে দোকান-পাট ও শপিংমল খোলার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এই নির্দেশনা মেনেই দোকান খোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। অলি-গলিতে ইতোমধ্যেই দুইটা পর্যন্ত ব্যবসা চলছে। অন্যান্য মার্কেট চালু করতে দোকান খুলে ঝাড়মোছা করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছেন। আবার মার্কেট খোলার এমন সিদ্ধান্তে করোনা বিপর্যয় আরও বাড়বে মন্তব্য করে সরগরম হয়েছে সামাজিক মাধ্যমগুলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শপিংমলগুলো খোলার বিরোধিতা করে নানা যুক্তি তুলে ধরতে দেখা গেছে। করোনার কারণে খুলবে না দেশের বৃহৎ শপিংমল বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্ক।

গত কয়েকদিন রাজধানী ঘুরে দেখা গেছে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সরকারী নির্দেশনা মেনে দুপুর দুইটা পর্যন্ত খোলা রাখছে বিভিন্ন দোকান। তবে এই সুযোগে অলি-গলিতে নিত্যপণ্যের বাইরেও অন্য দোকান খোলার কারণে মানুষের ভিড় বেড়েছে, বেড়েছে ঝুঁকিও। অলি-গলির নিত্যপণ্যের বাইরে থাকা দোকানগুলোর মধ্যে হরহামেশাই দেখা যায় চুল কাটার সেলুন থেকে শুরু করে কাপড় আয়রন করার দোকান, ইলেক্ট্রিকের দোকান, দর্জির দোকান, কসমেটিক্স, স্টেশনারি ইত্যাদি পণ্যের দোকান অলি- গলিতে খোলা রাখা হচ্ছে। আবার সরকারের নতুন নির্দেশনায় ১০ মে থেকে মার্কেট খোলা যাবে এমন সিদ্ধান্তে যে সকল মার্কেট দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল এসব এখন ঝাড়ামোছা আগেই পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। রাজধানীর মগবাজার, হাতিরপুল, শান্তিনগর এলাকার কয়েকটি গলিতে বিভিন্ন ধরনের দোকান খোলা দেখা যায় যা আসলে নিত্যপণ্যের আওতার মধ্যে নয়। ইস্কাটনের সেলুনের দোকানদার প্রান্ত বলেন, কি করুম কতো আর থাকা যায় দুইটার মধ্যেই বন্ধ করি। এটি খোলার নিয়ম নেই সেটিও বলেন তিনি। টেইলার্সের মালিক আজগর নিয়মিতই দোকান করেন। তিনি দুইজন কর্মী রেখে কাজ চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, আসলে ভেতরে কাউকে আসতে দেইনা ১০ তারিখ থেকে খুূলতেই হবে একটু আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বিভিন্ন এলাকার বন্ধ থাকা দোকানগুলো কিছু কিছু খুলতে দেখা গেছে। যার একপাশ খোলা অন্যপাশ বন্ধ এরকমও দেখা গেছে। জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা বলেন, দুই তিন দিন পরিষ্কার করতে হবে। আগে থেকে পরিষ্কার না করলে খোলার দিন যদিও মানুষ আসে তাহলে সমস্যা হবে তাই আগেই পরিচ্ছন্ন করে নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মতে, ১৫ জনের কম কর্মচারী নিয়ে পরিচালিত দেশে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫৩ লাখ ৭২ হাজার ৭১৬টি, যা দেশের মোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ৩৯ ভাগ। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৯২৯ জন কর্মী।

ব্যবসায়ীরা জানান, বড় সঙ্কটের মধ্যে দিনগুলো যাচ্ছে। দোকান ভাড়া, বাসা ভাড়া আবার সংসারের খরচ সব মিলিয়ে হিমশিম অবস্থা। এই সময়ে সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে এটি কিছুটা হলেও আমাদের সঙ্কট কাটাতে সহায়তা করবে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। সরকারের বিধি-নিষেধ মেনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু করার কথা বলেন একাধিক ব্যবসায়ী। মৌচাকের ব্যবসায়ী জুলহাস বলেন, আমরা যে কদিনই ব্যবসা করি তাতে যদি কর্মচারীদের বেতন দিতে পারি নিজেও যদি একটু চলতে পারি এটাই অনেক। এবার ঈদের ব্যবসাটা তেমন হবে না বলেও মনে করেন তিনি। বেইলি রোডের শাড়ির এক ব্যবসায়ী বলেন, অনেকদিন পর দোকান একটি শার্টারের অর্ধেক খুলে শুধু ভেতরের পরিস্থিতি দেখলাম। কর্মচারীদের নিয়ে দু’এক দিনের মধ্যে পরিচ্ছন্ন করব। ব্যবসা এবার আল্লাহর হাতে বলেন তিনি। তবে সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সেটি মানার কথা বলেন। নিজেদের সুরক্ষা ক্রেতার সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেন। বিষয়টি সব মার্কেট বা শোরুমেই থাকুক সেটিও প্রত্যাশা করেন।

পল্টনের ব্যবসায়ী জমির মিয়া সোম মঙ্গল দুদিন কর্মচারী নিয়ে দোকান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, দোকানের ভেতরে ইঁদুর মরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল আর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ধুলোর স্তূপ জমে গিয়েছিল। বাড্ডায় জুতার ব্যবসা করেন সায়েদুল হক রিগ্যান। গত কয়েক দিন ধরেই শঙ্কায় ছিল দোকান খোলা নিয়ে। প্রতিদিন ৮ হাজার টাকার মতো লোকসান হয়েছে তার। আপাতত এই সিদ্ধান্তে তিনি খুশি তবে বিক্রি কেমন হবে সে চিন্তা তো থাকছেই। এদিকে, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেছেন, সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে আগামী ১০ মে থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখব আমরা। এ সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন বেকার থাকায় পুঁজি হারানো ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও অর্থের মুখ দেখবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান-পাট ও শপিংমল খোলা রাখা হবে। দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, যদিও পর্যাপ্ত কেনাকাটা হবে কিনা, তা নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান। দোকানে কর্মচারীদের বেতন এবং ঈদের বোনাস আমরা দিতে পারব কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। ঈদের এই সময়ে ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি কতটুকু মানবেন এবং মার্কেটে বা দোকানে স্বল্প পরিসর জায়গায় আমরা কতটুকু ব্যবস্থা করতে পারব তা চিন্তার বিষয়। দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানান, একটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বা একটি দোকানের আয়তন ১০ ফুট বাই ১০ ফুট। এর মধ্যে ফার্নিচারসহ একজন মালিক ও কমপক্ষে দুই জন কর্মচারী বসেন। এরপর বাকি জায়গায় দুই জন ক্রেতার দাঁড়ানোই কষ্টকর। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক সামাজিক দূরত্ব কতটা মানা সম্ভব সে প্রশ্ন রাখেন তিনি এবং বলেন তারপরও চেষ্টা করব নিয়মের মধ্যে থেকে ব্যবসা পরিচালনা করার। হেলাল উদ্দিন জানান, দেশে করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসে গেছেন, এদের বাঁচাতে হবে। এরা না বাঁচলে দেশের অর্থনীতির বড় ক্ষতি হবে।

বিশিষ্টজনদের আশঙ্কা আর সরগরম সামাজিক মাধ্যম ॥ দেশে যখন করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে তখন এমন সিদ্ধান্তের কারণে দেশ আরও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন বয়সী শ্রেণী পেশার মানুষ। সামাজিক বিভিন্ন মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে পাশাপাশি এমন সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কথাও বলছেন অনেকে। এ মুহূর্তে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত করোনা বিপর্যয় বাড়িয়ে দেয়ার আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরাও। ঢাকা মেডিক্যালের অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মুজিবর রহমান বলেন, বিশে^ যেখানে রোগী কমলে পরে আস্তে আস্তে খোলা হচ্ছে। এছাড়াও যখন রোগী কম ছিল তখন সব কিছু বন্ধ রাখলেন এখন রোগীও বেড়েছে আবার মার্কেট শপিংমল আরও অন্য প্রতিষ্ঠান খুলছেন তাহলে পরিস্থিতি কি হতে পারে। সরকারকে ব্যবসায়ীদের বিষয়ও দেখতে হয় তবে এটির ফলও দেখতে হবে। অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদুল হকও মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে দোকানপাট খোলা আরও ভয়ঙ্কর হবে পরিস্থিতি। তিনি বলেন, মানুষের ঈদ নেই আমার ধারণা বেশির ভাগ মানুষ কেনাকাটায় আগ্রহী হবে না তাহলে মুষ্টিমেয় মানুষের জন্য বিপদ বাড়বে। এদিকে, সামজিক মাধ্যমে যুক্তি তর্ক তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, শপিংমলগুলো খুললেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও মঙ্গলবার ‘করোনাভাইরাস সংক্রান্ত’ টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও শপিংমলগুলো খুলে দিলে দেশে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়বে।

মার্কেট ও শপিংমলের কেউ করোনা সংক্রমিত হলে কী হবে তা নিয়েও সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কেটের কেউ করোনা সংক্রমিত থাকলে এবং তা ধরা পড়লে পুরো মার্কেট বা শপিংমল লকডাউনসহ ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন করা যাবে কিনা সেটিও নানা মত রয়েছে। এছাড়াও মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে যেহেতু কারা আসছে তা লিপিবদ্ধ থাকে না ফলে কারা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিল তা শনাক্ত করাও দুঃসাধ্য হতে পারে। ফলে সংক্রমণ বিস্তারের ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে বিভিন্নজন সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরছেন।

ঈদের কেনাকাটার জন্য খুলছে না বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্ক ॥ মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করে আগামী ঈদ বাজারের জন্য খুলছে না দেশের অন্যতম সর্ববৃহৎ দুই শপিং মল বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্ক। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মোহম্মদ আবু তৈয়ব জানিয়েছেন। বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মোহম্মদ আবু তৈয়ব জানান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের নির্দেশেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও ঈদের সময় মার্কেট না খোলার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনা হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের সব সিদ্ধান্ত মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করবেন, এমন শর্তেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তারা। ঈদের সময় বসুন্ধরা সুপার মল না খোলার সিদ্ধান্তে সরকারের কোন আদেশ বা নির্দেশ অমান্য করা হবে না জানিয়ে মোহম্মদ আবু তৈয়ব জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়, এটি এই অঞ্চলের বৃহৎ শপিংমল। এখানে সীমিত পরিসরে ব্যবসা পরিচালনা করা বা দোকান খোলার কোন সুযোগ নেই। ঈদের সময় এ মার্কেট খুললে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে। তা কোনভাবেই রোধ করা যাবে না। আর এমনটি যদি হয়, তাহলে সেখানে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেবেই। এতে কোন সন্দেহ নেই। তাই সাধারণ মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করেই বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান এমন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এ নিয়ে বসুন্ধরা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বুধবার জানা গেছে, এবারের ঈদের আগে যমুনা ফিউচার পার্ক খোলা হবে না। যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। দেশের দুই শপিংমলের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রশংসা করছেন সচেতন মানুষ।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে সরকারের এক নির্দেশনায় বলা হয়, সারাদেশের দোকানপাট, শপিংমলগুলো আগামী ১০ মে থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত সতর্কতা প্রয়োগ করার কথা বলা হয়। ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা এবং শপিংমলে আগত যানবাহন অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT