মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিস্ফোরিত হবে উজ্জ্বল তারকা

প্রকাশিত : ১২:০১ অপরাহ্ণ, ২৯ জুন ২০২০ সোমবার ৬২ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

বিশ্বজুড়ে জ্যোতির্বিদরা তা সে অ্যামেচার কিংবা পেশাদার যেই হোন না কেন, আকাশের দিকে নজর রেখেছেন ‘জীবনে একবার আসে এমন একটি মুহূর্তের’ সাক্ষী হওয়ার জন্য।

তারা ধারণা করছেন, বেটেলজাস যেটি কিনা পৃথিবী থেকে দেখা যায় এমন উজ্জ্বলতম নক্ষত্রগুলোর একটি হয়তো সুপারনোভায় পরিণত হতে যাচ্ছে, আর এটা হতে যাচ্ছে ধারণা করা সময়ের চেয়ে অনেক আগেই।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে : বিস্ফোরিত হতে যাচ্ছে। যদিও জ্যোতির্বিদরা জানেন যে, বেটেলজাস ধীরে ধীরে ‘বিস্ফোরিত’ হবে, কিন্তু সম্প্রতি হওয়া কিছু পরিবর্তন তাদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। বেটেলজাসকে এরইমধ্যে ‘ধ্বংসের মুখে থাকা নক্ষত্র’ সিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে, যার বিস্ফোরণ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আমাদের সূর্য যা প্রায় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন বছর বয়সী-তার তুলনায় এই তারাটির বয়স ৮০ লাখ থেকে এক কোটি বছর। কিন্তু এটি এর পারমাণবিক জ্বালানি দ্রুত মাত্রায় ব্যয় করে ফেলেছে। এটি হচ্ছে লাল একটি সুপার জায়ান্ট, একটি তার যার আয়ু প্রায় শেষের পথে, কিন্তু এর আকার যথেষ্ট প্রসারিত হয়েছে।

বেটেলজাস একটি বিশালাকার স্পন্দিত নক্ষত্র অর্থাৎ এটি একইসঙ্গে প্রসারিত এবং সংকুচিত হয়- এই ‘প্রতিবেশী’র পরিসীমা সূর্যের চেয়ে ৫৫০ থেকে ৯২০ গুণ বেশি হতে পারে।

‘এর সম্পর্কে যা জানা যায় তা হচ্ছে এটির সুপারনোভায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,’ বিবিসিকে এ কথা বলেন নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড্যানিয়েল ব্রাউন। ‘এর বর্তমান অবস্থা থেকে এটা বোঝা যায় যে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের সময়ের হিসাবে এটি যেকোনো সময় ঘটতে পারে।’ ‘কিন্তু এটার অর্থ হচ্ছে এটা আগামী এক লাখ বছরেও হতে পারে,’ ব্রাউন বলেন। তার মানে এটি শিগগিরই সুপারনোভায় পরিণত হচ্ছে না?

গদ কয়েক মাসে জ্যোতির্বিদরা লক্ষ্য করেছেন যে, ব্রেটেলজাস ধীরে ধীরে অনুজ্জ্বল তারায় পরিণত হচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্রের ভিলানোভা ইউনিভার্সিটির গবেষকরা গত ডিসেম্বর দাবি করেছেন যে, তারাটি ৫০ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ সময়ের মধ্যে সবচেয়ে অনুজ্জ্বল পর্যায়ে পৌঁছেছে। উল্লেখযোগ্য হারে উজ্জ্বলতা হারানো থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, এই রেড জায়ান্টটি ‘বিস্ফোরিত হতে যাচ্ছে।’

‘আয়ুষ্কাল শেয় হয়ে এলে বিশালাকার নক্ষত্রও তাদের ব্যাপক হারে ভরশূন্য হয়ে পড়ে’ টুইটারে এমনটা লেখেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিদ এবং বেটেলজাসের গবেষক সারাফিনা ন্যান্স।

সূত্র : বিবিসি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT