শনিবার ২৫ মে ২০২৪, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে এবার ‘মাদার অব অল সিলেকশন নির্বাচন’

প্রকাশিত : ০৮:৪১ পূর্বাহ্ণ, ২৪ জানুয়ারি ২০২৪ বুধবার ২১ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

পুরো পাকিস্তানেই এখন নির্বাচনি আমেজ। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর প্রচার-প্রচারণায় সরগরম চলছে রাজনৈতিক মাঠ। ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির সাধারণ নির্বাচন।

প্রতীক না পেলেও আসন্ন নির্বাচনে নিজ দলকে পূর্ণ শক্তিতে অংশ নিতে বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। পাশাপাশি পাকিস্তানের এবারের নির্বাচনকে ‘মাদার অব অল সিলেনকশন’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা কারাগারে চলমান সাইফার মামলার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর এ মন্তব্য করেন ইমরান খান। খবর জিও নিউজের।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইমরান খান এবারের নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এমনকি আসন্ন নির্বাচনে একটি বিশেষ দলকে ‘অগ্রাধিকার’ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।

ডনের খবরে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের মাঝপথেই আদিয়ালার জেল সুপার আসাদ ওয়ারিক ইমরান খানকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেন।

জবাবে ইমরান খান বলেন, গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারা তার অধিকার। পরে আসাদ ওয়ারিক ইমরান খানকে মনে করিয়ে দেন, সাংবাদিকরা কেবল তার মামলার বিষয়েই সংবাদ সংগ্রহ করতে আইনত বাধ্য। রাজনৈতিক বক্তব্য শুনতে নয়। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে বিচারকের অনুমতি নিতে বলেন জেল সুপার।

পরে ইমরান খান ‘সেন্সরশিপ’ নিয়ে প্রতিবাদ করায় কারাপুলিশ সাংবাদিকদের আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের করে নিয়ে যায়। এর আগে ইমরান খান নওয়াজ শরিফকে একজন ‘প্রত্যয়িত অর্থ পাচারকারী’ হিসাবে উল্লেখ করেন।

এমনকি পাকিস্তানের উচ্চ আদালত, নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারও নওয়াজকে সমর্থন করছে বলে অভিযোগ করেন ইমরান খান। আগামী রোববার পিটিআই কর্মীদের প্রতিবাদের কথাও বলেন তিনি। অন্যদিকে দলীয় প্রচারে মাঠে নেমেছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল) নেতা নওয়াজ শরিফ।

সোমবার ঠকরা স্টেডিয়ামে একটি সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় নওয়াজ শরিফ নিজেকে ‘উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চ্যাম্পিয়ন’ বলে উল্লেখ করেন। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনেরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

নওয়াজ বলেন, ‘আমি এখানে নির্বাচনে লড়তে এসেছি। দেশের সমৃদ্ধি চাইলে আমাকে ভোট দিন।’ পরদিন সোমবারই সাহিওয়ালে জনসভায় ভাষণ দেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারিও। জনগণের সামনে নিজের দলীয় ইশতেহার তুলে ধরেন।

বক্তৃতার ফাঁকে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি চারটি নয়, একটি সুযোগ চাই। আপনারা যদি আমাকে সুযোগ দেন, আমি দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করব এবং চলমান সব সমস্যার সমাধান করব। পাকিস্তান একটি খারাপ সময় অতিক্রম করছে, সমাজে একটি বিভাজন তৈরি হয়েছে। আর আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি এই বিদ্বেষ ও বিভাজনের রাজনীতিকে কবর দিতে।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT