রবিবার ১৯ মে ২০২৪, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের মন্ত্রীরা পাঁচ তারকা হোটেলে থাকতে পারবেন না, চড়তে হবে ইকোনমিক ক্লাসে

প্রকাশিত : ০৫:৩২ অপরাহ্ণ, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৫৭ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

শ্রীলঙ্কার পরে অর্থনৈতিক মঙ্গার কবলে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ পাকিস্তান। সম্প্রতি বন্যায় দেশটিকে আরও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ফলে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার।

বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ দাবি করেছেন, তারা যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন তা বছরে ২০০ বিলিয়ন রুপি সাশ্রয়ে সহায়তা করবে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

ডন বলছে, এই ঘোষণাটি এমন সময়ে এলো যখন পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে। পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সম্প্রতি ৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। এরপর থেকেই অর্থনৈকিত পুনরুদ্ধারে বেশ লড়াই শুরু হয়েছে দেশটিতে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের ব্যবহৃত সব বিলাসবহুল গাড়ি বাতিল করে নিলামে তোলা হবে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে মন্ত্রীদের নিরাপত্তায় একটি মাত্র গাড়ি দেওয়া হবে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টারা স্বেচ্ছায় তাদের বেতন-ভাতা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন থেকে সব মন্ত্রী তাদের নিজস্ব টেলিফোন, বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করবেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানান, ফেডারেল মন্ত্রীরা অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ বা বিদেশে যাওয়ার সময় ইকোনমিক ক্লাসে ভ্রমণ করবেন। সাপোর্ট স্টাফদের আর রাষ্ট্রীয় সফরে যেতে দেওয়া হবে না এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা বিদেশ সফরের সময় পাঁচতারকা হোটেলে থাকতে পারবেন না।

অন্যতম অর্থনৈতিক সংস্কারের মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও উপ-বিভাগের বর্তমান ব্যয় ১৫% কমানো হবে। এ সিদ্ধান্তের আলোকে সংশ্লিষ্ট প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তারা তাদের বাজেটে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করবেন।

২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী বছর পর্যন্ত বিলাসবহুল পণ্য কেনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পাকিস্তান। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত সব ধরনের নতুন গাড়ি কেনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেসব সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন, যারা ইতোমধ্যে গাড়ি মনিটাইজেশন সেবা নিয়েছেন সেগুলো ফেরত আনা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের আর নিরাপত্তার গাড়ি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি পরিস্থিতির বিবেচনা করে কেস-টু-কেস ভিত্তিতে নিরাপত্তা গাড়ি সরবরাহের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT