বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমাপন্থি রাশিয়ানদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বললেন পুতিন

প্রকাশিত : ০৩:২০ অপরাহ্ণ, ১৭ মার্চ ২০২২ বৃহস্পতিবার ১৯১ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমাপন্থি রাশিয়ানদের ‘জাতীয় বিশ্বাসঘাতক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর থেকে পুতিন যে কোনো ভিন্নমতকে তার বিরুদ্ধাচরণ বলে মনে করছেন এবং তা কঠোর হাতে দমনের চেষ্টা করছেন।

বুধবার টেলিভিশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেন, পশ্চিমা শত্রুদের তথ্যের ওপর নির্ভর করে জাতীয় বিশ্বাসঘাতকরা- যারা আমাদের এখানে অর্থ উপার্জন করে কিন্তু সেখানে থাকে তারা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করছে। আমি বলতে চাচ্ছি, ‘সেখানে বসবাস’ শব্দের ভৌগোলিক অর্থেও নয়, তবে তাদের চিন্তাভাবনা, দাসত্ব পশ্চিমাদের চেতনা অনুসারে।

তিনি বলেন, এই লোকগুলো আবার জেন্ডার স্বাধীনতা ছাড়া বাঁচতে পারে না।

পুতিন বলেন, কিয়েভ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায়। পশ্চিমা দেশগুলো বিভিন্ন সময়ে এ ব্যাপারে কিয়েভকে সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছে। এটি সত্যিকার অর্থেই রাশিয়ার জন্য হুমকি ছিল। কারণ নিকট ভবিষ্যতেই পশ্চিমের সহায়তায় কিয়েভের নব্য নাৎসিপন্থি শাসক দল ব্যাপক বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলত এবং নিশ্চিতভাবেই সেসব ব্যবহার করত আমাদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, কিন্তু তাদের এ অভিপ্রায় সফল হবে না। ইউক্রেনে রাশিয়া তার লক্ষ্য অর্জন করবেই।

ইউক্রেনে অভিযান শুরুর পর এক নিষেধজ্ঞা জারির সমালোচনা করে পুতিন বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো আগে থেকেই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল এবং এ ক্ষেত্রে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে তারা অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে।

তিনি আরও বলেন, তারা একদম খোলাখুলিভাবে রাশিয়ার প্রতি তাদের বৈরী মনোভাব ব্যক্ত করেছে। রাশিয়াকে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে তারা দেখতে চায় না বরং চায় একটি দুর্বল ও নির্ভরশীল রাশিয়া তাদের পছন্দ।

তিনি বলেন, এই দেশকে তারা খণ্ড-বিখণ্ড করতে চায় এবং একঘরে করে রাখতে চায়। ভণ্ডামিপূর্ণ কথাবার্তার আড়ালে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো তাদের নিষ্ঠুর অভিপ্রায় বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT