সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমাদের কাছ থেকে দ্রুত ট্যাংক চাইলেন জেলেনস্কি

প্রকাশিত : ০৬:১৪ অপরাহ্ণ, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৫৩ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রাশিয়াকে মোকাবিলা করতে ইউক্রেনকে সহায়তার অংশ হিসেবে কিয়েভকে উন্নতমানের ট্যাংক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমা নেতারা। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে এসব ট্যাংক দ্রুত সরবরাহ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির নেতা।

বুধবার রাত্রীকালীন ভাষণে জেলেনস্কি ট্যাংকের পাশাপাশি দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল এবং ফাইটার জেট (যুদ্ধবিমান) দেওয়ার জন্যও পশ্চিমা নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে আব্রামস ও জার্মানি লেপার্ড ট্যাংক দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির এমন ঘোষণাকে রাশিয়া ভয়ানক উসকানি হিসেবে উল্লেখ করেছে। সেই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা ট্যাংক ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘অন্যান্য ট্যাংকের মতো এগুলোও জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তারা শুধু শুধু অপচয় করছে।’

বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি আমাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে অন্যান্য ক্ষেত্রেও জোর দেওয়ার জন্য ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল জেন্স স্টলেনবার্গকে বলেছি।’ সেই সঙ্গে ইউক্রেনকে দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল ও আর্টিলারি দেওয়ার কথা বলেছেন বলেও জানান জেলেনস্কি।

তিনি আরও বলেন, আমরা শুধু ট্যাংকের দ্রুত ডেলিভারির কথা বলছি না, সেই সঙ্গে সেটি যেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক হয়। ‘ফ্রিডম ফোর্সের মতো আমাদের একটি ট্যাংক ফোর্স গঠন করতে হবে। যাতে স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দিতে না পারে।’
এদিকে জেলেনস্কি যখন পশ্চিমাদের কাছ থেকে ট্যাংকের প্রতিশ্রুতি আদায় করার পর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের ব্যাপারে মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন, তখন অনেক পশ্চিমা দেশ এর বিরোধিতাও করেছে। কারণ তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের এয়ারক্র্যাফট পেলে রাশিয়ার ভেতরে আক্রমণ করে বসতে পারে কিয়েভ।

এই যেমন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বুধবার দেশটির পার্লামেন্ট বুন্দেস্তাগে ইউক্রেনকে ট্যাংক দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণার সময় বলেন, ‘ইউক্রেনকে কোনো যুদ্ধবিমান দেওয়া হবে না।’ জার্মানির পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে ১৪টি লেপার্ড-২ ট্যাংক দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জার্মানি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের ব্যাপারে বলেছে যে, তাদের কাছে মজুত থাকা লেপার্ড ট্যাংক চাইলে ইউক্রেনকে ডোনেট করতে পারে।

বার্লিনের এমন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রেসিডন্ট জো বাইডেন বুধবার বলেন, ইউক্রেনকে ৩১টি এম১ আব্রামস ব্যাটল ট্যাংক (যুদ্ধ ট্যাংক) দেবে ওয়াশিংটন।

এদিকে একসঙ্গে দুই দেশের এই ঘোষণায় অনেকটা উজ্জীবিত ইউক্রেন। কিয়েভ মনে করছে, এর মাধ্যমে তারা এক বছর আগে শুরু করা রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্তভাবে রুখে দাঁড়াতে পারবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT