বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘দোনবাসকে রক্ষায় যা করা দরকার সবই করব’

প্রকাশিত : ০৫:৫০ অপরাহ্ণ, ২৮ মে ২০২২ শনিবার ৮৫ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল দোনবাস রক্ষায় যা কিছু করা দরকার তার সবই করা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রুশ বাহিনী দোনবাসে সর্বাত্মক হামলা চালানোর ফলে ইউক্রেনের সেনারা বিপাকে পড়েছেন। চারপাশ থেকে অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল হিসেবে দেশটির সেনারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকা থেকে পিছু হটছেন। খবর এনডিটিভির।

রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিশেষ করে পূর্ব দোনেস্ক এবং লুগানস্কে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। এর ফলে ঝুঁকিতে পড়েছে দোনবাস, যেটি দেশটির শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। প্রেসিডেন্ট জেলনস্কি রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করেছেন।

শুক্রবারের ভাষণে তিনি বলেন, দোনবাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক অস্ত্র-গোলাবারুদ জড়ো করেছে রাশিয়া। প্রয়োজনে আমরা ক্ষেপনাস্ত্র ও বিমান হামলা করব দোনবাসকে রক্ষায়।

‘আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য যা আছে তা দিয়েই ভূখন্ড রক্ষার প্রয়াস চালাচ্ছি। পাল্টা আক্রমণ বাড়ানোর জন্য আমরা সামর্থ্যের সবই করব।’

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনবাসের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আলাদা প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেছে।

দোনবাসে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা শুক্রবার আরও দাবি করেন, দোনেৎস্ক অঞ্চলের সেভেরোদোনেৎস্ক ও ক্রামাতোরস্ক শহরের মধ্যবর্তী লিমান শহরের দখল নিয়েছেন তারা। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অঞ্চলের প্রধান প্রধান শহরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কে শহরটির অবস্থান। শহরটি বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে রুশ বাহিনী।

তবে ইউক্রেনের আঞ্চলিক গভর্নর সের্গেই গেইদে জোর দিয়ে বলছেন, দুই বা তিন দিনের মধ্যে রুশ বাহিনী পুরো অঞ্চল দখলে নিতে পারবে না। তবে তিনি এ-ও বলেন, চারপাশ থেকে রুশ বাহিনীর ঘেরাও এড়াতে কিছু এলাকা থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের পিছু হটতে হবে। কারণ, তাদের বর্তমান সক্ষমতা ও লক্ষ্য হলো আত্মরক্ষা করা

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT