শনিবার ২৫ মে ২০২৪, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশের হাল ফেরাতে চাষে নামছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী

প্রকাশিত : ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ, ২১ জানুয়ারি ২০২৪ রবিবার ২০ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

অর্থনৈতিক মন্দায় ভুগছে পাকিস্তান। মূল্যস্ফীতি বেড়ে আকাশে। মুদ্রার মান কমে ইতিহাসের তলানিতে। দেশের রিজার্ভেও দেখা দিয়েছে চরম ঘাটতি। বিদেশি ঋণের দায়, আর একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে একেবারেই বেহাল দশায় পুরো পাকিস্তান। জরাগ্রস্ত দেশের হাল ফেরাতে রীতিমতো চাষে নেমে পড়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। জিইও টিভি, দ্য নিউজ।

পাঞ্জাবের পর, এবার সিন্ধু একটি সদ্য স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে করপোরেট ফার্মিংয়ের রাজ্যে প্রবেশ করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। করপোরেট ফার্মিং চালু করতে সিন্ধু সরকার ও মেসার্স গ্রিন করপোরেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের মধ্যে একটি সরকার-টু-সরকার (জি২জি) যৌথ উদ্যোগের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শনিবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সিন্ধুর তত্ত্বাবধায়ক রাজস্বমন্ত্রী ইউনুস ধাগা শুক্রবার সিএম হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে চুক্তির ঘোষণা দেন। তার সঙ্গে ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক আইনমন্ত্রী ওমর সুমরো, তথ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ আহমদ শাহ এবং মেজর জেনারেল শহীদ নাজির। এ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ৫২ হাজার ৭১৩ একর পরিমাণ জমি ২০ বছরের জন্য সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়া হবে। দেখা-শোনা, পরিচর্যা থেকে শুরু করে কৃষিকাজের নিয়ন্ত্রণ থাকবে সেনাবাহিনীর হাতেই।

এই উদ্যোগটি স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কাউন্সিলের (এসআইএফসি) ছাত্রছায়ার অধীনে চালু করা একটি প্রকল্পের অংশ। এসআইএফসি মূলত দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি পরিকল্পনা। এই প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসকরা প্রায় ৫২ হাজার ৭১৩ একর পরিমাপের অনুর্বর জমি চিহ্নিত করেছেন। যার মধ্যে ২৮ হাজার একর খায়রপুর, ১০ হাজার একর থারপারকার, ৯ হাজার ৩০৫ একর দাদুত, এক হাজার একর ঠাট্টা, তিন হাজার ৪০৮ একর সুজাওয়াল এবং এক হাজার একর বাদিন অঞ্চলে রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জমির মালিকানা সিন্ধু সরকারের কাছেই থাকবে।

চুক্তির অধীনে, গ্রিন করপোরেট ইনিশিয়েটিভ লিমিটেড নিট লাভের ২০ শতাংশ স্থানীয় এলাকায় গবেষণা এবং উন্নয়নে ব্যয় করবে। ৪০ শতাংশ সরাসরি সিন্ধু সরকারের কাছে যাবে। লাভের অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ স্থানীয় অবকাঠামো, সেচ চ্যানেল, সৌরচালিত পানি সরবরাহ স্কিম, স্কুল, হাসপাতাল, উন্নয়ন প্রকল্প এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলোতে ব্যয় করা হবে।

জমি অধিগ্রহণের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই ও জরিপ করা হবে। জরিপটি অবশ্যই নিশ্চিত করবে, এটি কোনো সুবিধাজনক জমি, জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত জমি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থান, জনবসতিপূর্ণ এলাকা, ম্যানগ্রোভ আবাসস্থল ও সংরক্ষিত বনসহ বনভূমি, চারণভূমি, কবরস্থান, ঐতিহাসিক জলপথ, অভ্যন্তরীণ জল, সেচের মধ্যে পড়ে না। স্থানীয় জনগণ যাতে এতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় জনগণের কোনো পানির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে না সে বিষয়ে নিশ্চিত করা হবে। জমি শুধুমাত্র কৃষিকাজে ব্যবহার করা হবে।

কোনো পার্শ্ব ব্যবসা বা কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রকল্পের জন্য, সিন্ধু মুখ্য সচিবের অধীনে একটি পরিচালনা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য বোর্ডের সদস্যরা একসঙ্গে সব সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জুনে পাঞ্জাবের তিন জেলার প্রায় ৪৫শ একর জমি ২০ বছরের জন্য লিজ নেয় সেনাবাহিনী।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT