বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তুরস্কে ভূমিকম্প হলেই মারা যায় হাজার হাজার মানুষ

প্রকাশিত : ০৫:২৮ অপরাহ্ণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৫২ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে তুরস্কও রয়েছে। দেশটির ৯৫ শতাংশ এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। দেশটিতে ভূমিকম্প হলেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে বলে পূর্ব ইতিহাস থেকে জানা যায়। গতকাল সোমবারও তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়। তবে এটিই প্রথম নয়, আগেও বহুবার দেশটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছিল।

১১৫ খ্রিস্টাব্দে তুরস্কে ভূমিকম্পে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিলেন। রিখটার স্কেলে যার কম্পনের মাত্রা ছিল। আর ১৫০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভূমিকম্পের ফলে তুরস্কে প্রাণ হারিয়েছিলেন দশ হাজার জন।

১৬৫৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ‌ভূমিকম্পে তুরস্কে প্রায় আড়াই হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুলাই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক। ফলে প্রায় ১০ হাজার তুরস্কবাসী প্রাণ হারিয়েছিলেন।

তুরস্কের এরজিনকানে ১৭৮৪ সালের ২৩ জুলাই ভূমিকম্পের ফলে মারা গিয়েছিলেন ৫ হাজার জন। কারও কারও মতে ওই ভূমিকম্পে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ১৭৬৬ সালের ২২ মে তুরস্কে ৪ হাজার জন ভূমিকম্পে মারা যান।

১৮৪০ সালের ২ জুলাই তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৪। ১৮৮১ সালের ৩ এপ্রিল ভূমিকম্প হয়েছিল তুরস্কে। ফলে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭ হাজার ৮৬৬ জন। ঠিক তার দু’বছর পর ১৮৮৩ সালের ১০ অক্টোবর তুরস্কে ভূকম্পের ফলে মারা গিয়েছিলেন ১২০ জন। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৩। ১৮৯৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ভূকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৪৭০ জন তুরস্কবাসী। ১৮৯৪ সালের ১০ জুলাই তুরস্কে ভূমিকম্পের ফলে মারা যান এক হাজার ৩০০ জন।

১৯৩০ সালের ৭ মে ভূমিকম্পে তুরস্কে মারা গিয়েছিলেন আড়াই হাজার মানুষ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। আর ১৯৩৯ সালে তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৮। এই ভূকম্পে ৩২ হাজার ৭০০ জন মারা গিয়েছিলেন।

১৯৪২ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভূমিকম্পে ৩ হাজার জন মারা গিয়েছিলেন তুরস্কে। ১৯৪৩ সালের ২৬ নভেম্বর ভূমিকম্পের ফলে তুরস্কে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৫ হাজার মানুষ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। পরের বছরের ১ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক ফের ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। এই ঘটনায় ৪ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন।

১৯৯৯ সালের ১৭ অগস্ট তুরস্কের ইজমিটে ভূমিকম্পের ফলে মারা যান ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৬। ১৯৭৬ সালের ২৪ নভেম্বর তুরস্কে ভূমিকম্পে মারা গিয়েছিলেন ৪ হাজার জন। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। এছাড়াও দেশটিতে আরও ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছিল। যেখানে সব সময়ই লাশের সারি থাকতোই।

এদিকে, সর্বশেষ গতকাল সোমবার ভোররাতে গাজিয়ানটেপের কাছে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ১২ ঘণ্টা পর ৭.৫-মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়। এ ঘটনায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার মানুষ মারা গেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT