বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের সেই ‘সামরিক অভিযান’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুশিয়ারি

প্রকাশিত : ০৮:৪৬ অপরাহ্ণ, ২ জুন ২০২২ বৃহস্পতিবার ১০০ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন বুধবার হুশিয়ারি দিয়েছেন, তুরস্ক যদি সিরিয়ায় কোনো সামরিক অভিযান চালায় তাহলে এ অঞ্চলটি অস্থিতিশীল হয়ে যাবে।

গত ২৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগান সিরিয়ায় আরেকটি সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দেন।

ওই সময় এরদোগান অভিযান নিয়ে খুব বেশি কিছু খোলাসা করেননি। তবে জানিয়েছিলেন, যখন সেনা, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রস্তুতি শেষ করবেন এরপরই অভিযান শুরু হবে।

এদিকে সিরিয়ার যে স্থানটিতে অভিযান চালানোর কথা বলা হচ্ছে সেই স্থানটির দখল এখন রয়েছে সিরিয়ান ড্যামোক্রেটিক ফোর্সের হাতে। এই দলটি জঙ্গি সংগঠন কুর্দিস আর্মড গ্রুপের (ওয়াইপিজি) একটি সহযোগী সংগঠন।

কুর্দিস আমর্ড গ্রুপ আবার কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) একটি শাখা।

এই পিকেকে-কে তুরস্ক জঙ্গী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করে থাকে এবং তাদের নিষিদ্ধ করেছে।

কুর্দিস সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দিতেই এ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছেন এরদোগান।

কিন্তু আইএসআইএসকে মোকাবেলা করতে এই দলটির সঙ্গে সখ্যতা গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এরদোগানের এমন ইচ্ছার বিরোধীতা করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন বলেন, ২০১৯ সালে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল সেটিতেই যেন অটুট থাকেন এরদোগান।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি বিষয় আমরা যেটির বিরোধীতা করি। আমাদের যে ভয় সেটি হলো এই অভিযান স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করবে। দুষ্কৃতিকারীরা স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মিত্রদের মাধ্যমে সিরিয়ায় আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা চাই না কোনো কিছু আইএসআইএসকে আটকে রাখার এ প্রচেষ্টা বিনষ্ট করে দিক।

এদিকে বুধবার এরদোগান বলেন, উত্তর সিরিয়ার তাল রিফাত এবং মানবিজ থেকে জঙ্গিদের নির্মূল করবেন তারা। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো লক্ষ্যস্থানের কথা প্রকাশ করেন তিনি।

এরদোগান আরও জানান, অন্যন্য অঞ্চলেও অভিযান চালানো হবে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ, ন্যাশনাল নিউজ (যুক্তরাষ্ট্র)

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT