বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের পাশে নেই মেলানিয়া

প্রকাশিত : ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ, ১৫ জুন ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৫১ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

হোয়াইট হাউস ছেড়ে আসার পর রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হয়েছেন মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কর্মসূচির গোপন নথি নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনের বাথরুমে রেখেছিলেন তিনি।

এ অভিযোগে গত মঙ্গলবার মায়ামির ফেডারেল আদালতে শুনানি শুরু হয়। শুনানির আগে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে ট্রাম্পকে গ্রেফতার দেখিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়। যদিও ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে এখন তার প্রচারণায় ব্যস্ত থাকার কথা। সেখানে ট্রাম্পকে বারবার আদালতে ছুটতে হচ্ছে। আইনি মারপ্যাঁচ সামাল দিতে হচ্ছে। কিন্তু এই লড়াইয়ে ট্রাম্পের পাশে নেই স্ত্রী মেলানিয়া। গুঞ্জন উঠেছে— ট্রাম্প ব্যস্ত থাকলে মেলানিয়া কোথায়?

এর আগে সম্পর্ক নিয়ে মুখ বন্ধ রাখার জন্য সাবেক এক পর্নোতারকাকে ঘুস দেওয়ার ঘটনায় আইনি ঝামেলায় জড়ান ট্রাম্প। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। এ মামলাতেও বারবার আদালতে ছুটতে হয়েছে ট্রাম্পকে। ফ্লোরিডা থেকে নিউইয়র্কের আদালতে প্রতিবারই লটবহর, মোটর শোভাযাত্রা নিয়ে হাজির হয়েছেন ট্রাম্প। কিন্তু মেলানিয়াকে স্বামীর পাশে একবারও দেখা যায়নি। এমনকি স্বামীর সমর্থনে কোনো বিবৃতিও দেননি তিনি।

যে কোনো স্ক্যান্ডাল বা সংকটের সময় রাজনীতিকদের স্ত্রীরা সব সময় স্বামীর পাশে থেকেছেন। আমেরিকানরা সাধারণত এমনটি দেখে অভ্যস্ত। তাই ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে মেলানিয়া ট্রাম্পের পাশে না দেখায় বিষয়টি নজরে এসেছে সবার ।

ওহাইও ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক ক্যাথেরিন জেলিসন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডিদের নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করেন। ক্যাথেরিন বলেন, যে কোনো স্ক্যান্ডাল বা সংকটের সময় রাজনীতিকদের স্ত্রীরা সব সময় স্বামীর পাশে থেকেছেন। আমেরিকানরা সাধারণত এমনটি দেখে অভ্যস্ত। তাই ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে মেলানিয়ার শারীরিকভাবে পাশে না থাকাটা সবার চোখে পড়েছে।
ট্রাম্প ঝামেলার মধ্যে থাকার ফলে পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন। কিন্তু একবারও মেলানিয়ার নাম নেননি। এ ঘটনা ট্রাম্প-মেলানিয়ার ‘লেনদেনযুক্ত’ বিয়ের গুঞ্জন জোরালো করেছে।

আদালতে অভিযুক্ত হতে যাচ্ছেন, এমন খবর শোনার পর মার-এ-লাগো রিসোর্টে বক্তব্য দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। ওই বক্তব্যের সময়ও স্লোভানিয়ান বংশোদ্ভূত ৫৩ বছর বয়সী সাবেক মডেল মেলানিয়াকে ট্রাম্পের পাশে দেখা যায়নি। মেলানিয়ার বাবা ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন। যদিও মেলানিয়া তখন মার-এ-লাগোতেই ছিলেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT