রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খরচ বাঁচাতে মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের যেসব সুবিধা কমাল পাকিস্তান

প্রকাশিত : ০৫:৩০ অপরাহ্ণ, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৭৪ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

অর্থনৈতিক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে পাকিস্তানে। এ সপ্তাহে দেশটির মূল্যস্ফীতি রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রতি লিটার দুধ দুইশ রুপির ওপরে, আটার দামও অনেক বেশি। মূল্যস্ফীতি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না সরকার।

এমন পরিস্থিতিতে কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের বেতন-ভাতা ও ভ্রমণ খরচ কাটছাঁট করছে দেশটির সরকার।

বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তার মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদেরকে ইকোনমি ক্লাসে চড়তে বলেছেন, বিলাসবহুল গাড়ি এবং বেতন বাদ দিতে বলেছেন। তার সরকারের নেওয়া একাধিক নতুন পদক্ষেপে বছরে ২০০ বিলিয়ন রুপি সাশ্রয়ে সহায়তা করবে বলে দাবি করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ বলেন, ‘মন্ত্রিসভার সদস্যদের ব্যবহার সব বিলাসবহুল গাড়ি বাতিল করে নিলামে তোলা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রীদের নিরাপত্তায় একটি মাত্র গাড়ি দেওয়া হবে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টারা স্বেচ্ছায় তাদের বেতন-ভাতা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন থেকে সব মন্ত্রী তাদের নিজস্ব টেলিফোন, বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করবেন।’ তবে বিদেশি অতিথিদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

শাহবাজ শরিফ বলছেন, আইএমএফ ঋণ চুক্তির আগে যেসব শর্ত পূরণের কথা বলেছে, সরকারের মন্ত্রী-আমলাদের ব্যয় সংকোচনের এই কঠোর পদক্ষেপ তারই অংশ।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সকল মন্ত্রণালয় এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে খরচ ১৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে বলা হয়েছে। মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের বেতন-ভাতা ও ভ্রমণ খরচ কাটছাঁট করতে হবে।

তার ভাষায়, সরকারের কর্তাব্যক্তিদের এই ত্যাগটুকু স্বীকার করতে হবে দেশের গরিব মানুষের জন্য, যাদের খাবার এবং ওষুধ কেনারও সামর্থ্য নেই, কারণ মূল্যস্ফীতি ইতোমধ্যে ২৭.৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটির বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ইতোমধ্যে তলানির কাছাকাছি নেমেছে। তিন সপ্তাহের আমদানি ব্যয় মেটানোর মত ডলারও ইসলামাবাদের হাতে নেই।

সেজন্য গত কয়েক মাস ধরে আইএমএফের কাছ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। কিন্তু নয় দফার বৈঠকেও কর্মকর্তা পর্যায়ের কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT