বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোভিড-১৯ ‘সম্ভবত’ চীনের ল্যাব থেকে ছড়িয়েছে: এফবিআই প্রধান

প্রকাশিত : ০৫:১৭ অপরাহ্ণ, ১ মার্চ ২০২৩ বুধবার ৪৯ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

সম্ভবত চীনের সরকার-নিয়ন্ত্রিত কোনো ল্যাব থেকেই খুব সম্ভবত কোভিড -১৯ ছড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো এফবিআই।

সংস্থাটির পরিচালক ক্রিস্টোফার রে মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে এমনটাই বলেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, এফবিআই বেশ কিছুদিন ধরে তদন্তের পর ধারণা করছে, মহামারীটির উৎস সম্ভবত কোনো ল্যাব দুর্ঘটনা থেকে। কোভিড -১৯ ভাইরাসের আবির্ভাবের উৎস সম্পর্কে এফবিআই- এই প্রথম জনসমক্ষে কোন বক্তব্য দিলো।

রে এর মন্তব্যের একদিন আগেই চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ‘কোভিডের উৎস’ নিয়ে দেশটিকে আরও ‘সৎ’ হওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে চীনের উহানের ল্যাব থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাসের উৎপত্তির অভিযোগ অস্বীকার করে চীন বলেছে, এফবিআইয়ের অভিযোগটি মানহানিকর।

মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস্টোফার রে বলেছেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারীটির উৎস সনাক্ত করার সব প্রচেষ্টা বিফল এবং ব্যর্থ করার জন্য চীন যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।

গবেষণায় দেখা গেছে ,ভাইরাসটি চীনের উহান শহরের সামুদ্রিক খাবার এবং বন্যপ্রাণীর কেনাবেচার বাজারের কোনো প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বাজারটি বিশ্ব-নেতৃস্থানীয় ভাইরাস গবেষণাগার ‘উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি’ থেকে ৪০ মিনিট দূরত্বে অবস্থিত। গবেষণাগারটিতে করোনভাইরাস নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে।

তবে, কোভিড-১৯ এর উৎপত্তিস্থল কোথায় এ বিষয়ে এখনও একমতে আসা সম্ভব হয়নি। এফবিআইয়ের বাইরে মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছে।

ক্রিস্টোফারে’র মন্তব্যের ব্যাপারে চীন সরকার এখনো কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রোববার স্থানীয় কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ডিপার্টমেন্ট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কোভিডের উৎপত্তি সম্ভবত কোন ল্যাব থেকে হয়েছে। তবে কীভাবে ভাইরাসটি তৈরি হয়েছে সে সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য জানা যায়নি।

এদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, করোনাভাইরাসের উৎস নিয়ে ‘ল্যাব-লিক’ তত্ত্ব থেকে বের হয়ে আসা এবং চীনকে দোষারোপ বন্ধ করা উচিত। করোনার উৎস খোঁজার এই রাজনীতিও বন্ধ করা প্রয়োজন।

ভাইরাসটি উহানের (চীন) গবেষণাগার থেকে ছড়িয়েছে নাকি যুক্তরাষ্ট্রের কোন গবেষণাগারে এটি তৈরি হয়েছে এমন বিতর্কও দেখা যায়। বিশেষ করে চীন ও আমেরিকার মধ্যে এই নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা যুদ্ধও চলছে। যদিও বিশ্বের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা কোভিড-১৯ ল্যাবে তৈরি হয়েছে এমন যুক্তি নাকচ করে দিচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনেও বলা হয়, ল্যাব থেকে কোভিড-১৯ ছড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবে তাদের তদন্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর সংস্থাটির মহাপরিচালক জানান, সব ধারণাই উন্মুক্ত এবং এই বিষয়ে আরও অনেক গবেষণা প্রয়োজন।

২০১৯ সালের শেষদিকে আবির্ভূত হওয়া কোভিড-১৯ এরই মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT