শনিবার ২৫ মে ২০২৪, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাজ না পেয়ে সুমনের আত্মহত্যা: যে ভিসায় ইতালি না যেতে সতর্কবার্তা প্রবাসীর

প্রকাশিত : ০৭:০৮ পূর্বাহ্ণ, ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ শনিবার ২৩ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

ইতালিতে দীর্ঘ সাত মাস কাজ না পেয়ে সুমন মিয়া নামে এক বাংলাদেশি যুবক আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার রাজধানী রোমের তুসকোলানা জুলিও আগ্রিকোলা পার্কে একটি গির্জার পেছন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

কয়েক মাসে আগে সুমন এগ্রিকালচার ভিসায় ইতালিতে আসেন। তার দেশের বাড়ি কুমিল্লার হোমনার চম্পক নগরে। বাবার নাম এ বারিক।

সুমনের আত্মহত্যার ঘটনায় মুরাদ মহিবুর নামে আরেক ইতালি প্রবাসী ফেসবুকে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার বাড়িও কুমিল্লায়।

মুরাদ জানান, এক বুক স্বপ্ন নিয়ে সুমন মিয়া সাত মাস আগে ইতালির রোম শহরে এসেছিলেন সোনার হরিণ ধরতে! কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবতা বড়ই কঠিন। দীর্ঘ সাত মাস বেকার থেকে কোনো কাজ না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে জীবনটাকে শেষ দিয়েছেন। এমন নির্মম মৃত্যু কারোরই কাম্য নয়।

যারা ইতালি আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অবশ্যই লিগ্যাল ওয়েতে স্পন্সর ভিসায় আসবেন। এগ্রিকালচার ভিসায় এসে এখানে তেমন কোনো কাজ নেই। আপনজন না থাকলে ইতালি না আসাই ভালো। কারণ এগ্রিকালচার ভিসায় এসে কোনো কাজ পাওয়া যায় না। অনেক কষ্ট করতে হয়। এর মাঝে বাসা ভাড়া ও নিজের ব্যক্তিগত খরচ বাবদ প্রতিমাসে ন্যূনতম ৪০০ ইউরোর (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা) মতো খরচ বহন করতে হয়। নতুন এসে এই টাকা আয় করা অনেক কষ্ট।

এগ্রিকালচার ভিসায় কেন কাজ পাওয়া যায় না তার কারণ উল্লেখ করে প্রবাসী মুরাদ বলেন, প্রথমত ভাষাজনিত সমস্যা, দ্বিতীয়ত ডকুমেন্ট সমস্যা। এজন্য এগ্রিকালচার ভিসায় না এসে চেষ্টা করবেন লিগ্যাল ওয়েতে স্পন্সর ভিসায় আসতে। লিগ্যাল ওয়েতে আসলে অন্ততপক্ষে একটা কাজ ও একটা ডকুমেন্টের আশা করা যায়; যা থাকলে অনেকটা হতাশামুক্ত থাকা যায় এবং একটা কাজ পাওয়ার আশা করা যায়।

বিদেশ গমনেচ্ছুদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, টাকা আপনার, তবে অবশ্যই ভেবেচিন্তে কাজ করবেন। ইউরোপ আসা মানেই আপনি প্রথম মাস লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবেন- এটা একদম মিথ্যা। তাই দেশ থেকে ব্যাংক লোন বা কিস্তি নিয়ে দয়া করে কেউ আসবেন না; যা আপনার মানসিক পীড়ার কারণ হয়। দূর থেকে স্বপ্নে দেখে অনুমান করা, আর বাস্তবে অনেক কঠিন ইউরোপের জীবন!

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT