রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১লা বৈশাখ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এক নৌকায় গ্রীসে ৩০০ পাকিস্তানি যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৬:২১ পূর্বাহ্ণ, ২০ জুন ২০২৩ মঙ্গলবার ৪৩ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

ইউরোপের যাবার পথে প্রায় গ্রিসের উপকূলে ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবিতে শত শত অধিবাসীর মৃত্যু হয়। কতজন যে সাগরের পানিতে তলিয়ে যায় তার হিসাব কারো কাছে নেই। তবে মাঝে মধ্যে নৌকা ডুবির ঘটনায় লাশ উদ্ধার করা হয়। তারপর জানা যায়, কোন দেশের কতজন মারা গেছেন। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় আফ্রিকা ও এশিয়ার নাগরিকদের লাশ পাওয়া যায়। এবার এক নৌকাতেই পাকিস্তানের প্রায় ৩০০ যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সে দেশে তোলপাড় চলছে।

জানা যায়, সম্প্রতি গ্রিসের কাছে অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে কয়েকশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০০ পাকিস্তানি ছিল বলে রোববার তাদের আত্মীয়স্বজন এবং পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, গ্রিসের উপকূলে ডুবে যাওয়া একটি মাছ ধরা ট্রলারে নারী ও শিশুসহ ৭৫০ জন ছিল। পূর্ব লিবিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার পাঁচ দিন পর গত বুধবার ভূমধ্যসাগরে গ্রিক উপকূলে এটি ডুবে যায়।

দুর্ঘটনায় পাকিস্তানের শুধু ১২ জন নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। তারা বলেছে, নিহতদের মধ্যে পাকিস্তানিদের সংখ্যা এবং পরিচয় যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

রোববার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলো নিহতদের কান্নারত আত্মীয়দের সাক্ষাৎকার প্রচার করে এবং জাহাজডুবির ঘটনায় অন্তত ২৯৮ জন পাকিস্তানি নিহত হওয়ার খবর জানায়। তবে কর্মকর্তারা নিহতের সংখ্যা সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, নিহতদের স্মরণে সোমবার দেশটি জাতীয় শোক দিবস পালন করবে। তবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে আর কোনও বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

শরিফ মানব পাচারের সাথে জড়িত এজেন্টদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ দিয়েছেন, ফেডারেল কর্তৃপক্ষ রোববার জাহাজডুবির সাথে জড়িত ১০ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার খবর দিয়েছে।

ঘনঘন দুর্ঘটনা এবং মাঝে মাঝে সীমান্তরক্ষীদের মারাত্মক গুলি চালনা সত্ত্বেও, দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারের হাজার হাজার তরুণ পাকিস্তানি মানব পাচারকারীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করে একটি উন্নত জীবনের সন্ধানে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ করার জন্য বিপজ্জ্বনক যাত্রা করে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT