মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে যে কারণে এখনো হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া

প্রকাশিত : ০৫:০৭ অপরাহ্ণ, ২৪ নভেম্বর ২০২২ বৃহস্পতিবার ৫৭ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

কিয়েভ আলোচনায় বাস্তবসম্মত অবস্থান না নেওয়া পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের সামরিক সম্ভাবনাকে দুর্বল করার জন্য হামলা চালিয়ে যাবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া।

বুধবার জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এসব কথা বলেছেন। খবর তাসের।

তিনি বলেন, রুশ বাহিনী ‘পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে দেশটিকে প্লাবিত করার প্রতিক্রিয়ায় এবং কিয়েভকে রাশিয়া পরাজিত করার জন্য বেপরোয়া আহ্বানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইউক্রেনের অবকাঠামোগত সুবিধাগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করছে।’

তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বলেন, বিশেষ সামরিক অভিযানের একটি লক্ষ্য হলো— ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর যুদ্ধ ক্ষমতাকে দুর্বল করা এবং কিয়েভ সরকার একটি বাস্তবসম্মত অবস্থান না নেওয়া পর্যন্ত এটি সামরিক উপায়ে অর্জিত হবে, যা আলোচনা করা এবং সেই সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করা সম্ভব করবে, যা আমাদের বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে।

রাশিয়ার এ কূটনৈতিক নেতা বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা জেলেনস্কি এবং তার মিত্রদের কাছ থেকে যা শুনেছি, তা শান্তির জন্য প্রস্তুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না; বরং এটি বেপরোয়া হুমকি ও আলটিমেটামের ভাষা।

তিনি বলেন, কিয়েভের পশ্চিমা পৃষ্ঠপোষকরা শুধু এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন পথকে উৎসাহিত করে। যেহেতু তারা ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড শেষ ইউক্রেনীয় পর্যন্ত যুদ্ধে আগ্রহী। কারণ এটি তাদের প্রতিরক্ষা খাতের পক্ষে প্রচুর মুনাফা অর্জন এবং ন্যাটোর অস্ত্র পরীক্ষা করা সম্ভব করে তোলে।

নেবেনজিয়া বলেন, ‘এইভাবে, পশ্চিমা দেশগুলো সাধারণ ইউক্রেনীয়দের জীবনের মূল্য দিয়ে তাদের ভূরাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT