বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ উড়িয়ে দিলো রুশ বাহিনী, জরুরি বৈঠকে জেলেনস্কি

প্রকাশিত : ০৬:৩২ অপরাহ্ণ, ৬ জুন ২০২৩ মঙ্গলবার ৫২ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

রুশ বাহিনী ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগত খেরসনের ‘নোভো কাখোভকা’ বাঁধ উড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে কিয়েভের সামরিক বাহিনী। তবে নোভা কাখোভকা শহরের মস্কোপন্থি কর্মকর্তা ইউক্রেনের এমন দাবি তাৎক্ষণিকভাবে অস্বীকার করেন। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।

নোভা কাখোভকা শহরটি খেরসনে অবস্থিত। শহরটি রক্ষায় এই বাঁধটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষিণের কমান্ড মঙ্গলবার (৬ জুন) বিবৃতিতে দাবি করেছে, ‘কাখোভকা বাঁধটি শত্রæরা হামলা চালিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে।’

সেনাবাহিনী বলছে, বাঁধটিতে ধ্বংসের মাত্রা, পানির গতি এবং কতটুকু প্লাবিত হতে পারে তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খবর পাওয়া মাত্রই দুর্ঘটনা এড়াতে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। সূত্রের বরাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, বাঁধটি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দ্রæতগতিতে প্লাবিত হচ্ছে। তবে মস্কোপন্থি মেয়র এ ঘটনার জন্য ইউক্রেনের গোলাবর্ষণকে দায়ী করছেন। প্রথমে বাঁধ ধসের খবর অস্বীকার করে মেয়র ভ্লাদিমির লিওন্টিভ বলেন, ‘সব কিছু স্বাভাবিক ও শান্ত। এখানে কিছুই হয়নি।’

খেরসনে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত অংশে সোভিয়েত যুগের এই বাঁধটি ধ্বংস হয়ে থাকলে পুরো অঞ্চল ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বাঁধের আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণে ঘটে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রায় ৯৮ ফুট প্রশস্ত এবং ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর বাঁধটি ১৯৫৬ সালে কাখোভকা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অংশ হিসেবে দিনিপ্রো নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়।

সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT