রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আদানির বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ বন্ধের দাবিতে কলকাতায় বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৭:০৬ অপরাহ্ণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার ৫৭ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কায় আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে কলকাতায় বিক্ষোভ করেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর) নামে একটি সংগঠন। এসময় বিক্ষোভকারীদের হাতে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতার একাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনের রানু ছায়া মঞ্চে এ বিক্ষোভ করে এপিডিআর।

সংগঠনটি জানায়, ফারাক্কায় ফল চাষিদের সম্মতি ছাড়াই তাদের জমিতে আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুতের টাওয়ার বসানো ও হাইটেনশন তার টেনে জোর করে প্রকল্প চালু ও আন্দোলনরত চাষিদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এপিডিআরের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত সুর বলেন, হাজরা মোড়ে আজ আমাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি করার কথা ছিল। এ বিষয়ে সাতদিন আগেই পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজার, কালীঘাট থানা ও ভবানীপুর থানায় চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ দুপুরে কোনোভাবেই পুলিশ এ সভা করার অনুমতি দেয়নি। গায়ের জোরে আমাদের এ সভা বন্ধ করে দেয়।

মমতার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে তিনি বলেন, ফারাক্কা বা কলকাতা হক, কোথাও আদানিদের বিরুদ্ধে কোনো মিটিং, মিছিল, প্রতিবাদ সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, টাটা গোষ্ঠীকে বাঁচাতে গিয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাম সরকারের পতন ঘটেছিল, এবার আদানিকে বাঁচাতে গিয়ে মমতা সরকার বিপদ ডেকে আনছে।

গত ৩১ জানুয়ারি আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে ৩০ জন ফলচাষি ও এপিডিআর। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এ মামলার শুনানি হবে।

ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা জেলায় আদানি গোষ্ঠীর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার উপর দিয়ে খুঁটি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের তার (হাইটেনশন) যাচ্ছে বাংলাদেশে। কিন্তু জেলার যে অংশের উপর দিয়ে আদানির এ বিদ্যুৎ লাইন যাচ্ছে, সে ফারাক্কায় প্রচুর পরিমাণ আম ও লিচুর বাগান থাকায় তাতে প্রবল আপত্তি জানায় সেখানকার ফল চাষিরা।

গত বছরের জুলাই মাসে এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের জড়িয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। আহত হন একাধিক গ্রামবাসী ও পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ছিল, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জোর করে আম-লিচু বাগানের উপর গিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন বাংলাদেশে নিয়ে যাচ্ছে আদানি।

গ্রামবাসীদের দাবি, এলাকাটি জনবসতিপূর্ণ এলাকা। এছাড়া প্রচুর পরিমাণ আমগাছ, লিচুগাছ রয়েছে। ওই আম-লিচুর ফলনের উপরই তারা নির্ভরশীল। তা থেকেই জীবন অতিবাহিত হয় তাদের। কিন্তু ওই ফসলি জমির উপর দিয়ে বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ায় প্রচুর ফলনের গাছ কেটে ফেলেছে আদানি। এতে তাদের জীবিকায় প্রভাব পড়ছে। এমন অবস্থায় কলকাতা হাইকোর্টে এ জনস্বার্থ মামলাটি করা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি anusandhan24.com'কে জানাতে ই-মেইল করুন- anusondhan24@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

anusandhan24.com'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



এই বিভাগের জনপ্রিয়

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।     বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।  নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।  নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন।  তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।   এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

ইরানি বংশোদ্ভূত দুই ব্রিটিশ নাগরিককে দীর্ঘদিন বন্দি রাখার পর মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে যুক্তরাজ্য ৪০ কোটি পাউন্ড ইরানের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির পর নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরি যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। নাজানিন জাঘারি প্রায় ছয় বছর ধরে ইরানে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নাজানিন জাঘারি ও আনোশেহ আশোরিকে বহনকারী প্লেন অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রিজ নর্টন ব্রিটিশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর আগে তারা ওমানে সাময়িক সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি নেন। তারা একসঙ্গেই প্লেন থেকে নেমে আসেন এবং বিমানবন্দরে প্রবেশের পর পর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এদিকে মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা মোরাদ তাহবেজ নামে আরও একজনকেও কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ত্রাস এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ বিষয় ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এর আগে ইরানের কাছে ইসলামি বিপ্লবের আগে অর্থাৎ প্রায় ৪৩ বছর আগের দেনা হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তেহরানকে ৪০ কোটি পাউন্ড (৫২০ মিলিয়ন ডলার) প্রদান করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি নিশ্চিত করতে পেরে আমি খুব খুশি, নাজানিন জাঘারি এবং আনোশেহ আশোরিকে অন্যায়ভাবে বন্দি রাখার দিন শেষ হয়েছে। তারা মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছে।

© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। anusandhan24.com | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT